তৃণমূল কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন! মমতা ব্যানার্জীর দল ছেড়ে এনসিপিআই (NCPI)-এর সঙ্গে একীভূত হওয়ার ঘোষণা করলেন ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ। শুধু তাই নয়, এই বিদ্রোহী গোষ্ঠী বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ-কে সমর্থনের কথা জানিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন।
বিদ্রোহী সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী সাফ জানিয়েছেন, টিএমসি-র অধিকাংশ নেতাই শীঘ্রই তাঁদের দলে যোগ দেবেন। অরূপের দাবি, “সবাই দিদির সঙ্গেই এসেছিল, কিন্তু এখন দিদি বয়সের ভারে ন্যুব্জ এবং তাঁকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। পরিবার এবং অভিষেকের চাপে মমতা ব্যানার্জী দিশাহীন, যার ফলে দল ধ্বংসের পথে।” অভিষেক ব্যানার্জী বিদ্রোহীদের ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দিলে পাল্টা জবাবে অরূপ বলেন, দলের নেতৃত্বের ব্যর্থতা এবং পারিবারিক কেলেঙ্কারির জেরেই এই বিভেদ। তিনি আরও বলেন, “দলকে বাঁচাতেই আমরা এই সংস্কারের পথে হাঁটছি।”
রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের চক্র থেকে বাংলাকে মুক্ত করে উন্নয়নের পথে চালিত করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য বলে দাবি করেন এই বিদ্রোহী সাংসদরা। মমতা ব্যানার্জীর ওপর পারিবারিক চাপের প্রসঙ্গ টেনে অরূপ জানান, অভিষেককে দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকেই দলের এই বেহাল দশা। এই ঘটনাপ্রবাহে তৃণমূলের অন্দরে অস্বস্তি তুঙ্গে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পঞ্চায়েত ও লোকসভা ভোটের আগে এই বিদ্রোহ বাংলার রাজনীতিতে বড়সড় সমীকরণ বদলে দিতে পারে। এখন দেখার, মমতা ব্যানার্জী এই পরিস্থিতি সামলাতে কী পদক্ষেপ নেন।





