বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর পরবর্তী আবহে রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। এরই মধ্যে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি সফর ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক নতুন করে জল্পনার জন্ম দিয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নতুন মন্ত্রিসভা গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে দিল্লিতে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন তিনি।
বৈঠকের নেপথ্যে কী? রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনের পর নতুন মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী এদিন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করে রাজ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট দিয়েছেন বলে খবর। মন্ত্রিসভা গঠন প্রক্রিয়া কেন থমকে আছে এবং এই পরিস্থিতিতে বিজেপির রণকৌশল কী হবে, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে।
শুভেন্দুর বার্তা: বৈঠক শেষে শুভেন্দু অধিকারী সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে চললেও, ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের কাজের গতিপ্রকৃতি এবং বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে নিজের মতামত জানিয়েছেন। তাঁর মতে, সরকার গঠনের পর যেটুকু দেরি হয়েছে, তা কাটিয়ে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন করে প্রশাসনিক কাজ শুরু করা প্রয়োজন।
রাজনৈতিক চাপানউতোর:
মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ: বিজেপির অন্দরে গুঞ্জন, মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কোনো বিশেষ গাইডলাইন তৈরি করতে পারে।
দিল্লির হস্তক্ষেপ: রাজ্য বিজেপির একাংশের দাবি, মন্ত্রিসভার আকার ও গঠন প্রক্রিয়ায় বিজেপির কেন্দ্রীয় হাইকম্যান্ড সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে, যাতে কোনো বিতর্কিত নাম না থাকে।
এখন দেখার বিষয়, শুভেন্দু অধিকারীর এই দিল্লি সফরের পর রাজ্য সরকার কবে মন্ত্রিসভার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন রাজভবন এবং নবান্নের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে আপনার কি মনে হয়, এই রাজনৈতিক টানাপোড়েন রাজ্যের প্রশাসনিক কাজে কোনো প্রভাব ফেলবে?





