বিশ্ব রাজনীতিতে ফের চরম উত্তেজনার পারদ। আমেরিকার সঙ্গে সংঘাতের আবহে এবার সরাসরি ফুঁসে উঠল ইরান। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলিকে লক্ষ্য করে একের পর এক মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর। এই ঘটনায় ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর বড়সড় চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট: সম্প্রতি আমেরিকার কঠোর অবস্থান এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার জেরে ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কে চরম তিক্ততা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে, যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা করছেন ভূ-রাজনীতিবিদরা। এরই মধ্যে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলি উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশগুলির সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে মিসাইল ছুড়েছে বলে অভিযোগ।
চাপে ট্রাম্প প্রশাসন: এই মিসাইল হামলার পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের কৌশলগত অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে ইরানের এই আগ্রাসন রুখতে মার্কিন বাহিনীর সরাসরি হস্তক্ষেপের দাবি উঠছে, অন্যদিকে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ট্রাম্প কি সামরিক জবাব দেবেন, নাকি কূটনৈতিক আলোচনার পথ বেছে নেবেন—সেটাই এখন মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন।
ভয়াবহ পরিণতির আশঙ্কা: সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মিসাইল হামলার ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা বড় ধরনের বিপদের মুখে পড়তে পারে। ইরান যেভাবে তাদের সামরিক শক্তি প্রদর্শন করছে, তাতে এই অঞ্চলটি একটি বড় যুদ্ধের ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন রাষ্ট্রপুঞ্জের পর্যবেক্ষকরা। এর প্রভাব বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর পড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।
ইরানের বার্তা: ইরানের পক্ষ থেকে সরাসরি বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, তারা কোনোভাবেই আমেরিকার আধিপত্য এবং চাপ মেনে নেবে না। এই হামলাকে তারা নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার অংশ হিসেবেই দেখছে। পাল্টা জবাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলো কী পদক্ষেপ নেয়, এখন গোটা বিশ্বের নজর সেদিকেই।





