“বিয়ের ৭ বছর পর উধাও স্ত্রী-ননদ!”-ঘরে ফেলে যাওয়া মোবাইল থেকে মিললো সব প্রমাণ?

মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে সম্প্রতি এক অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে, যেখানে এক মহিলা তাঁর স্বামী এবং ৫ বছরের সন্তানকে ফেলে রেখে স্বামীর তুতো বোন অর্থাৎ ননদের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন। এই ঘটনায় দিশেহারা স্বামী তাঁর স্ত্রীর খোঁজ পেতে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। বাড়িতে ফেলে যাওয়া স্ত্রীর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকেই দুই মহিলার সমকামী প্রেমের সম্পর্কটি স্পষ্ট হয়েছে।

জবলপুরের অমরপতন এলাকার বাসিন্দা আশুতোষ সাত বছর আগে সন্ধ্যাকে বিয়ে করেছিলেন। তাঁদের একটি পাঁচ বছরের ছেলেও রয়েছে। আশুতোষের তুতো বোন মানসির তাঁদের বাড়িতে প্রায়শই যাতায়াত ছিল। সন্ধ্যা এবং মানসি একসঙ্গে বাজারে যেতেন, ঘুরতেন, কিন্তু তা নিয়ে আশুতোষ বা অন্য কারও কোনওদিনই সন্দেহ হয়নি।

এই বছর অগস্ট মাসের শুরুতে সন্ধ্যা একবার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন, যদিও পরে জবলপুর স্টেশনে তাঁর খোঁজ মেলে। কিন্তু সম্প্রতি সন্ধ্যা নামের ওই বধূ ফের বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যান। এইবার তিনি নিজের মোবাইল ফোনটি বাড়িতে রেখে গেছেন। এর পর তাঁর আর কোনও খোঁজ মেলেনি। স্ত্রীর নিখোঁজ হওয়ার পরে স্বামী আশুতোষ যখন স্ত্রীর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট দেখেন, তখন তাঁর মাথায় হাত পড়ে। সেই চ্যাট দেখেই তিনি জানতে পারেন, তাঁর স্ত্রী এবং বোন মানসির মধ্যে গোপন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এরপর তিনি বোনের খোঁজ করে জানতে পারেন, মানসিও বাড়িছাড়া।

আশুতোষ এই গোটা বিষয়টি নিয়ে ঘামপাউর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সূর্যকান্ত শর্মা বলেছেন, “পলাতক মহিলা নিজের মোবাইল নিয়ে যাননি। এর জেরে তাঁর খোঁজ পাওয়া কঠিন হয়েছে। আমরা তল্লাশি শুরু করেছি।” দুই মহিলার এই সমকামী সম্পর্ক নিয়ে জবলপুরের ওই এলাকাবাসীর মধ্যে রীতিমতো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তাঁদের আলোচনার মূল বিষয় এখন দুই নারীর প্রেম ও পলায়ন।