২০২৯ সালে নয়, নারীদের সংরক্ষণ পিছিয়ে দিতে চাইছে বিরোধীরা! মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে বিস্ফোরক দাবি ফড়নবীশের

মহারাষ্ট্রের নারী সংরক্ষণ ইস্যু নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র জল্পনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ সরাসরি কংগ্রেস এবং মহা বিকাশ আগাড়ি (এমভিএ)-কে নিশানা করে এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, বিরোধী দলগুলি কখনোই চায় না যে নির্ধারিত সময়ে নারীরা এই সংরক্ষণের সুবিধা পান। পরিকল্পিতভাবে এই বিষয়টিকে পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
বিরোধীদের বিরুদ্ধে দ্বৈত নীতির অভিযোগ
মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশের অভিযোগ, বিরোধী দলগুলি ২০২৯ সালে নারীদের সংরক্ষণ দিতে চায় না, বরং পুরো প্রক্রিয়াটি ২০৩৪ সাল পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখতে চায়। নারী সংরক্ষণের বিষয়ে কংগ্রেস ও এমভিএ জোটের ভূমিকা সম্পূর্ণ দ্বৈত নীতিতে ভরা বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি।
ফড়নবীশের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে যখন সংসদে এই সংক্রান্ত বিল আনা হয়েছিল, তখন রাজনৈতিক চাপের মুখে তারা বিলটিকে সমর্থন করতে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু এখন যখন বাস্তবে নারীদের হাতে সংরক্ষণের অধিকার তুলে দেওয়ার সময় এসেছে, তখন বিভিন্ন অজুহাতে বিরোধীরা এর বিরোধিতা করতে শুরু করেছে। সীমানা পুনর্নির্ধারণ বা অন্যান্য আইনি জটিলতার জুজু দেখিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তকে দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর।
অন্যান্য সরকারি প্রকল্প ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ
রাজনৈতিক তরজার পাশাপাশি এদিনের বক্তব্যে সরকারের অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কাজের খতিয়ানও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, অহিল্যাদেবী হোলকার ঋণ মওকুফ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্বের অর্থ সফলভাবে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। লক্ষাধিক কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে হাজার হাজার কোটি টাকা সরাসরি জমা পড়েছে। পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের কাজও স্বচ্ছতার সঙ্গে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।