বিডিও-র গাড়ি ব্যবহার করেই খুন! সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও পুলিশের ‘নিষ্ক্রিয়তা’য় তোপ হাইকোর্টের

সল্টলেকের চাঞ্চল্যকর স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের মামলায় এবার কাঠগড়ায় বিধাননগর পুলিশ। সুপ্রিম কোর্টের জামিন খারিজের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কেন অভিযুক্ত বিডিও প্রশান্ত বর্মণের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হয়নি, তা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়ের পর্যবেক্ষণ, পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

আদালতের তোপ ও নির্দেশ: বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায় এদিন স্পষ্ট ভাষায় জানতে চান, কেন এখনো গ্রেফতার করা হয়নি রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণকে? মামলায় অভিযুক্ত বিডিও-র ‘ফরচুনার’ গাড়ি ব্যবহারের তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরেও কেন চার্জশিটে তার নাম বা পরিস্থিতির স্পষ্ট উল্লেখ নেই, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আদালত। মামলার তদন্তকারী অফিসারের (IO) বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। রাজ্যের ডিজিপি-কে আগামী ১০ দিনের মধ্যে এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে।

পুরো ঘটনাটি এক নজরে: পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে সল্টলেকের দত্তাবাদের দোকান থেকে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে। মৃত ব্যবসায়ীর পরিবারের দাবি, এই খুনের নেপথ্যে রয়েছেন রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণ। যদিও বিডিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এই মামলায় অভিযুক্ত সজল সরকারের জামিনের আবেদনও এদিন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। জানা গেছে, সোমবারই এই খুনের মামলায় অভিযুক্ত বিডিও-কে ইকো পার্ক থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

এখন দেখার বিষয়, হাইকোর্টের এই কড়া নির্দেশের পর রাজ্যের ডিজিপি এবং বিধাননগর পুলিশ কী পদক্ষেপ নেয়।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy