বিজ্ঞান মানে শুধু ল্যাবরেটরি নয়! ২০৪৭-এর উন্নত ভারত গড়তে ড. সৌম্য স্বামীনাথনের ‘সোশ্যাল মেসেজ’

বিজ্ঞানকে ল্যাবরেটরির চার দেওয়াল থেকে বের করে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তুলতে হবে। বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদে এক জাতীয় সম্মেলনে এই বার্তাই দিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-র প্রাক্তন প্রধান বিজ্ঞানী ড. সৌম্য স্বামীনাথন। ইনাডু এবং এএসটিসি-র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনের মূল বিষয় ছিল ‘২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্যে বিজ্ঞানের প্রয়োগ’।
ড. স্বামীনাথন বলেন, বিজ্ঞান তিনটি অমোঘ সত্যের ওপর দাঁড়িয়ে— প্যাথোজেন বা ব্যাকটেরিয়ার চলাচলে কোনো পাসপোর্টের প্রয়োজন হয় না, জলবায়ু পরিবর্তনের কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই এবং মানুষের জানার কৌতূহল যেকোনো সীমানা অতিক্রম করতে পারে। কোভিড মহামারীর অভিজ্ঞতা টেনে তিনি বলেন, বিজ্ঞানের সঠিক তথ্যের চেয়ে ভুল তথ্যের প্রচার বা ‘ইনফোডেমিক’ রুখতে সমাজকে আরও সচেতন হতে হবে।
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে, মানুষ যখন বিজ্ঞানের কোনো বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তার মানে তাঁরা বিজ্ঞানের বিরোধী নন। বরং তাঁদের কাছে তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানো বিজ্ঞানীদের দায়িত্ব। এই লক্ষ্যে সাংবাদিকদের স্থানীয় ভাষায় স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান সম্পর্কিত সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান তিনি। বিশেষ করে খাদ্যাভ্যাস ও বায়ুদূষণ মোকাবিলায় বিজ্ঞানের ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষকে সহজ ভাষায় বোঝানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি।