‘বিচ্ছেদ কেবল দুজনের নয়, পুরো পরিবার বদলে দেয়’, ভাই সইফ ও অমৃতার সম্পর্ক নিয়ে স্মৃতিচারণ সোহা আলি খানের

বলিউডের অন্যতম আলোচিত বিচ্ছেদগুলির মধ্যে অন্যতম সইফ আলি খান এবং অমৃতা সিংয়ের ২০০৪ সালের বিবাহবিচ্ছেদ। এক দশকেরও বেশি সময়ের এই সম্পর্কের সমাপ্তি কেবল এই দুই তারকার জীবনেই নয়, তাঁদের সন্তান সারা আলি খান ও ইব্রাহিম আলি খান এবং পরিবারের সদস্যদের জীবনেও এনেছিল এক বড়সড় পরিবর্তন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভাই সইফের বিবাহবিচ্ছেদ এবং বিচ্ছেদ-পরবর্তী পারিবারিক পরিস্থিতি নিয়ে স্মৃতিচারণ করলেন অভিনেত্রী ও লেখিকা সোহা আলি খান।
বিচ্ছেদ কেবল দুজনের নয়
নয়নদীপ রক্ষিতের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোহা আলি খান স্বীকার করেন যে, একটি বিয়ে ভাঙলে শুধু দুজন মানুষ নয়, তাদের পুরো পরিবারকেও নতুন উপায় খুঁজে নিতে হয়। তিনি মনে করেন, কিছু বিষয় আছে যা আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকে না এবং একজনের দোষে কখনও বিচ্ছেদ হয় না।
সোহা বলেন, “বিষয়টি সহজ নয়, তবে ধীরে ধীরে সবার জায়গা তৈরি হয়। এখন অবশ্য সবকিছু স্থির। ছেলেমেয়েরা বড় হয়েছে, সবাই নিজের জীবনে এগিয়ে গিয়েছে।”
অমৃতার সঙ্গে সোহার ব্যক্তিগত সম্পর্ক
অমৃতা সিংয়ের সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সোহা জানান, বিচ্ছেদের আগে অমৃতার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল খুবই কাছের এবং সহজ:
“আমার কাছে অমৃতা ছিলেন খুবই কাছের একজন। আমি প্রায়ই তাঁর বাড়িতে থাকতাম, তিনি আমার যত্ন নিতেন, আমাকে ফটোশুটে নিয়ে যেতেন, আমরা একসঙ্গে স্ক্র্যাবল খেলতাম।”
কিন্তু সইফ ও অমৃতার বিচ্ছেদের পর সেই পরিস্থিতি বদলে যায়। সোহা জানান, যখন তাঁদের সম্পর্ক শেষ হয়, তখন পরিবারের সবাই মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন এবং তাঁদের নিজেদের জায়গা খুঁজে নিতে হয়েছিল।
উল্লেখ্য, বিচ্ছেদের সময় সারা আলি খানের বয়স ছিল মাত্র ৯ বছর এবং ইব্রাহিমের বয়স ছিল মাত্র ৩ বছর। পরে ২০১২ সালে সইফ আলি খান অভিনেত্রী কারিনা কাপুরকে বিয়ে করেন। এর আগে সইফের মা শর্মিলা ঠাকুরও বলেছিলেন, দীর্ঘ সম্পর্কের ইতি কখনও সহজ হয় না এবং দুই সুন্দর সন্তান জড়িয়ে থাকলে তা আরও কঠিন হয়ে ওঠে। তবে এখন পারিবারিক পরিস্থিতি শান্ত ও স্থির।