‘বিচারপ্রক্রিয়া ও সাংবিধানিক মার্যাদা আলাদা’! কেন বিরোধী নেতাদের দেখা করতে দিলেন না সিজেআই সূর্য কান্ত?

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিতর্কিত এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে রাজনৈতিক পারদ চরমে উঠেছে। বিরোধী দলগুলির মেগা ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোটের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের পরিকল্পনা করা হলেও, প্রথমসারির নেতাদের সাক্ষাতের অনুরোধ সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন দেশের প্রধান বিচারপতি (CJI) সূর্য কান্ত। সাংবিধানিক শিষ্টাচার ও বিচারপ্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এই প্রশাসনিক বৈঠক বাতিল করা হলেও, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা রয়েছে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন সিজেআই।

এই হাই-ভোল্টেজ পরিস্থিতিতে বর্তমানে রাজধানীতে উপস্থিত রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা তেজস্বী যাদব। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে এই হেভিওয়েট নেতারা রাজধানীতে সমবেত হয়ে পরবর্তী রাজনৈতিক কৌশল চূড়ান্ত করছেন। জোট সূত্রে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, বিরোধী দলগুলি আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি দেশজুড়ে গণআন্দোলন আরও তীব্র করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রধান বিচারপতির সাক্ষাৎ না মিললেও সুপ্রিম কোর্টে নির্দিষ্ট নিয়মে মেমোর্যান্ডাম জমা দেওয়া এবং আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

এদিকে, এই হাই-ভোল্টেজ মার্চকে কেন্দ্র করে সেন্ট্রাল দিল্লিতে জারি করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাজীব চক, মণ্ডি হাউস, জনপথ ও সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। ডেইলিবান্টের পাঠকদের নজরে এখন এই মেগা মোর্চার পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিরোধী নেতাদের সম্মিলিত ঘোষণার দিকেই।