মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো উত্তরবঙ্গ সফরে পৌঁছালেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বাগডোগরা বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর থেকেই শুরু হয় অভূতপূর্ব উন্মাদনা। বিমানবন্দর থেকে শিলিগুড়ি জেলা বিজেপি কার্যালয় পর্যন্ত পথে জনতার ঢেউ আছড়ে পড়ে। মানুষের আবদার ও ভালোবাসা উপেক্ষা করতে না পেরে বারবার গাড়ি থামিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে।
শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা বিজেপি কার্যালয়ে দলের কর্মীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বৈঠকের পর তিনি রওনা হন উত্তরকন্যার উদ্দেশ্যে, যেখানে তাঁর প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা রয়েছে। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানান, মাত্র দু’সপ্তাহের শাসনকালেই রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোয় আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “এই সরকার জনগণের সরকার। সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি আগামী এক বছরের মধ্যেই অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে।”
উত্তরবঙ্গকে বিজেপির ‘ভদ্রাসন’ আখ্যা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘকাল ধরে উত্তরবঙ্গের মানুষ দলের ওপর আস্থা রেখেছেন, সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করাই তাঁর অগ্রাধিকার। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, এখন থেকে প্রতি মাসে তিনি উত্তরবঙ্গে আসবেন এবং উন্নয়নের পাশাপাশি সাংগঠনিক কাজও দেখবেন। কাটমানি ও সিন্ডিকেটরাজের দিন শেষ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের পরামর্শ ও মতামত নিয়েই রাজ্য পরিচালিত হবে। সমাজের সব স্তরের মানুষকে তাঁদের অভাব-অভিযোগ ও পরামর্শ লিখে পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি। মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করাই এই সরকারের একমাত্র লক্ষ্য বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।





