জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি জেলার ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের একেবারে শেষ গ্রাম সারিয়া। মঙ্গলবার সেই প্রত্যন্ত জনপদেই উৎসবের মেজাজ ধরা পড়ল। কেন্দ্রের ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ’ (Vibrant Village) কর্মসূচির অধীনে সেখানে আয়োজন করা হয়েছিল একটি বিশেষ সচেতনতা শিবির। প্রতিকূল আবহাওয়া ও বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামের মানুষ দলে দলে ভিড় জমান সরকারি প্রকল্পের সুবিধা বুঝে নিতে।
রাজৌরির লেবার অফিসার নীরজ কুমার জানান, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ। বিশেষ করে ‘প্রধানমন্ত্রী শ্রম যোগী মানধন যোজনা’ নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গিয়েছে। ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী দর্জি, রাজমিস্ত্রি বা ছোট দোকানদাররা মাসে মাত্র ৫৫ থেকে ২০০ টাকা জমা দিয়ে ৬০ বছর বয়সের পর থেকে মাসে ৩,০০০ টাকা নিশ্চিত পেনশন পেতে পারেন। শিবিরে কেবল তথ্য প্রদানই নয়, দ্রুত পরিষেবা নিশ্চিত করতে অন-স্পট নাম নথিভুক্ত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল।
স্থানীয় সমাজকর্মী অনিল চৌধুরী সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “আগে তথ্যের অভাবে আমরা অনেক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতাম। এখন অফিসাররা খোদ সীমান্তে আমাদের দুয়ারে এসে সব বুঝিয়ে দিচ্ছেন।” দুর্গম ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলের শেষ প্রান্তের মানুষের কাছে উন্নয়নের আলো পৌঁছে দিতে ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ’ যে একবিংশ শতাব্দীর এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ, সারিয়ার এই শিবির তারই প্রতিফলন।





