পাকিস্তানের ড্রোনকে রুখতে আসছে ‘সুদর্শন চক্র’! ভারতের নতুন এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কাঁপিয়ে দেবে বিশ্ব
ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সামরিক সংঘর্ষের (অপারেশন সিঁদুর) পর, ভারত এবার নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার জন্য একটি নতুন এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করছে। এই সিস্টেমটির নাম রাখা হয়েছে ‘সুদর্শন চক্র’, এবং এটি বিশ্বের সকল প্রতিরক্ষা সিস্টেমের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হবে বলে দাবি করেছেন ইন্টিগ্রেটেড ডিফেন্স স্টাফের প্রধান এয়ার মার্শাল অশুতোষ দীক্ষিত।
‘অপারেশন সিঁদুর’-এর শিক্ষা:
এয়ার মার্শাল দীক্ষিত বলেছেন যে, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আসা সস্তা ড্রোন এবং উন্নত ইউএভি (Unmanned Aerial Vehicle) রুখতে গিয়ে ভারত একটি নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। ভারতের শক্তিশালী S-400 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের সামনে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ব্যর্থ হলেও, তুরস্কের তৈরি ড্রোনগুলো ভারতের জন্য নতুন বিপদ সৃষ্টি করেছে। এসব ড্রোনকে ভারতের আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে ধ্বংস করা হয়েছিল। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভারত একটি সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করছে।
কী থাকবে ‘সুদর্শন চক্র’-তে?
এয়ার মার্শাল দীক্ষিত জানান, এই সিস্টেমটি এখনও পরিকল্পনা পর্যায়ে থাকলেও এতে অনেক উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এতে কাউন্টার-ড্রোন, কাউন্টার-ইউএভি এবং কাউন্টার-হাইপারসনিক ক্ষমতাসহ বিভিন্ন গোপনীয় প্রযুক্তি সমন্বিত করা হবে। এটি ভারতের বহুমুখী এয়ার ডিফেন্স কৌশলের অংশ হবে, যা বর্তমান S-400 এবং আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভবিষ্যতে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো নতুন হুমকি মোকাবিলায় একটি বিপ্লবী পদক্ষেপ হবে।
অনুশীলন ও প্রস্তুতি:
‘অপারেশন সিঁদুর’ থেকে শিক্ষা নিয়ে, সশস্ত্র বাহিনী ৬ থেকে ১০ অক্টোবর মধ্যপ্রদেশে একটি মহড়ার আয়োজন করেছে। এতে তিন বাহিনী—স্থলসেনা, নৌসেনা এবং বিমানসেনা—অংশ নেবে। এই অনুশীলনে ড্রোন হামলা, হাইপারসনিক হুমকি এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের মতো বাস্তব যুদ্ধের পরিস্থিতিগুলো অনুকরণ করা হবে। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক এবং স্বনির্ভর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।