‘দুর্গে দুর্গতিনাশিনী’ গীতিআলেখ্যে মুগ্ধ দর্শক, মন মাতালেন চন্দ্রাবলী-দীপাবলী দত্ত

যোধপুর পার্কের ‘গীতিকা’ কালচারাল সোসাইটির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১৫ সেপ্টেম্বর রবীন্দ্রসদনে অনুষ্ঠিত হলো এক মনোজ্ঞ আগমনী সন্ধ্যা। বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী দত্ত পরিবারের চন্দ্রাবলী রুদ্র দত্ত, তার স্বামী প্রদীপ দত্ত এবং কন্যা দীপাবলী দত্তের তত্ত্বাবধানে এই অনুষ্ঠানটি নিখাদ বাঙালিয়ানায় ভরে উঠেছিল।

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল ‘দুর্গে দুর্গতিনাশিনী’ নামের বিশেষ গীতিআলেখ্য ও তার সঙ্গে নৃত্য পরিবেশনা। এটি পরিচালনা করেছেন চন্দ্রাবলী রুদ্র দত্ত।

শরৎ বন্দনা: অনুষ্ঠানের শুরু হয় ‘শরৎ বন্দনা’র মাধ্যমে। বাচিকশিল্পী রাজা দাসের আবৃত্তি এবং প্রদীপ দত্ত ও অগ্নিভ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গানে পুজোর আমেজ তৈরি হয়।

‘দুর্গে দুর্গতিনাশিনী’: দ্বিতীয় ভাগে মঞ্চে আসেন চন্দ্রাবলী এবং তার মেয়ে দীপাবলী। মা-মেয়ের আগমনী গান দর্শকদের মন জয় করে নেয়। চন্দ্রাবলী বলেন, “পুজো মানেই তো মেয়েদের ঘরে ফেরা মায়ের কাছে।” তার কণ্ঠে ‘ঢুলি’ ছবির ‘ত্রিনয়নী দুর্গা মা তোর রূপের সীমা পাই না খুঁজে’ গানটি ছিল অনবদ্য। দীপাবলীও দুর্গা বন্দনার গান গেয়ে সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অলোক রায়চৌধুরী-র কণ্ঠে ‘জাগো দুর্গা’ এবং কোরক বসুর কণ্ঠে চণ্ডীপাঠও দর্শকদের মুগ্ধ করে।

নৃত্য পরিবেশনা: দেবী দুর্গার ভূমিকায় গার্গী নিয়োগী ও বিনতা ভৌমিকের নৃত্য নজর কেড়েছে। বিশেষ করে ৭৭ বছর বয়সী নৃত্যশিল্পী গুরু প্রদীপ্ত নিয়োগীর পরিবেশনা ছিল অনুপ্রেরণামূলক।

গুণীজন সংবর্ধনা
রজত জয়ন্তী বর্ষের এই অনুষ্ঠানে ‘গীতিকা’-র পক্ষ থেকে গুণীজন সংবর্ধনারও আয়োজন করা হয়েছিল। প্রথিতযশা শিল্পী হৈমন্তী শুক্লা ও প্রমিতা মল্লিকের পাশাপাশি বাদ্যযন্ত্রকার পণ্ডিত সমর সাহা ও পণ্ডিত বিপ্লব মণ্ডলদেরও সম্মান জানানো হয়।