মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে ইরানের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল ভারত। যুদ্ধের এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে মানবিকতার খাতিরে তেহরানে ২০ হাজার কেজি জরুরি ওষুধ পাঠিয়েছে নয়াদিল্লি। বিমানটি ইতিমধ্যেই দিল্লি থেকে ইরানের মাসাদ শহরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। কূটনৈতিক মহলের মতে, ভারতের এই ‘ওষুধ কূটনীতি’ মধ্যপ্রাচ্যে হরমুজ প্রণালীর জটিল জট কাটাতে মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে।
ভারতের এই সহায়তার প্রতিদানে তেহরান বড় ঘোষণা করেছে। ইরান জানিয়েছে, ভারতীয় জাহাজগুলিকে হরমুজ প্রণালীতে আর আটকানো হবে না এবং তাদের থেকে কোনও টোলও নেওয়া হবে না। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই ভারত থেকে ৪৫ হাজার কেজি ওষুধ জাহাজে পৌঁছেছে এবং ইরানি দূতাবাস ১ লক্ষ ইউরো অনুদান পেয়েছে। এই বন্ধুত্বের আবহেই দীর্ঘ সাত বছর পর ভারতে পৌঁছেছে ইরানি অপরিশোধিত তেল। ‘ফেলিসিটি’ ও ‘জয়া’ নামক দুটি জাহাজ ৪ মিলিয়ন ব্যারেল তেল নিয়ে গুজরাটের সিক্কা ও ওড়িশার পারাদ্বীপে নোঙর করেছে।
তবে আমেরিকার হরমুজ অবরোধের মাঝে ভারতের জ্বালানি জট কতটা কাটবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই ১৫টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে জলপথটি অবরোধ করেছে। এই পরিস্থিতিতে চীন সরাসরি ট্রাম্প প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, ইরান-চীন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে নাক গলালে বেজিং তা মেনে নেবে না।





