জুমলা কারাগার থেকে পালাল ৪১ জন, ফিরে এলেন চারজন! তারপরও কেন নিশ্চিন্তে নেই প্রশাসন

নেপালে জেন-জি’র তীব্র বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে জুমলা কারাগার থেকে ৪১ জন বন্দী পালিয়ে গিয়েছিল। তবে, নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর নজরদারি ও তল্লাশির মুখে চারজন বন্দী আত্মসমর্পণ করে কারাগারে ফিরে এসেছেন। এই ঘটনায় মোট ৫ জনকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়েছিল। এখনো ৩২ জন বন্দী পলাতক রয়েছে।

বীরগঞ্জ জেলা পুলিশ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে কারারক্ষীদের ওপর হামলা চালিয়ে মোট ৪১ জন বন্দী জুমলা কারাগার থেকে পালিয়ে যায়। এর মধ্যে সেদিন রাতেই পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ রবীন বাবু রেগমি জানান, বুধবার আরও দুজন এবং বৃহস্পতিবার রাতে আরও দুজন বন্দী ফিরে এসেছেন।

জানা গেছে, যারা ফিরে এসেছেন, তারা তাদের স্বল্প সাজার কথা উল্লেখ করে আত্মসমর্পণ করেছেন। ফিরে আসা বন্দীদের মধ্যে রয়েছেন হিকমত গিরি, ভীম প্রসাদ কাথায়াত এবং দিল্লি কার্কি। বর্তমানে জুমলা কারাগারে মোট ৯৮ জন বন্দীর মধ্যে মাত্র ৬৬ জন রয়েছেন।

আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি

পলাতকদের ধরতে নেপালি সেনাবাহিনী স্থানীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথ টহল পরিচালনা করছে। পলাতকদের আবার অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত না থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে, নওয়ালপাড়াসি পশ্চিম জেলা প্রশাসন পলাতক বন্দীদের দ্রুত স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য একটি নোটিশ জারি করেছে। জেলা প্রধান কর্মকর্তা হীরালাল রেগমি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি তারা এই নির্দেশ অমান্য করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, পারসায় জেলা প্রশাসন অফিস বীরগঞ্জ মেট্রোপলিটন সিটিতে কারফিউ শিথিল করেছে। তবে দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময়ে এখনো নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।