গ্রহরত্ন নয়, বিদেশে পাচার করা হতো সাধারণ পাথর! রত্ন আমদানি মামলায় ED-র চাঞ্চল্যকর দাবি

রত্ন আমদানির আড়ালে বিদেশ থেকে আনা হতো সাধারণ পাথর। আর এই প্রক্রিয়ায় রত্নের বেশি দাম দেখিয়ে ঘুরপথে বিদেশে হাজার কোটি টাকারও বেশি পাচার করা হয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)।
পাঁচ রাজ্য থেকে চলত র্যাকেট
ED সূত্রে খবর, এই পাচার চক্রটি মূলত কলকাতা বিমানবন্দর ও কলকাতা বন্দর থেকে চালানো হতো। তবে র্যাকেটটির জাল বিস্তৃত ছিল দেশের পাঁচটি রাজ্যে। তদন্তে উঠে এসেছে কলকাতা, মুম্বই, চেন্নাই, দিল্লি এবং আমদাবাদ—এই ৫ রাজ্য থেকেই চক্রটি কাজ করত।
ইডি-র দাবি, এভাবে পাচার হওয়া টাকা গিয়েছে দুবাই, চিন, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে। এখনও পর্যন্ত তদন্তে এই চারটি দেশের নাম উঠে এসেছে।
নেপথ্যে প্রভাবশালী যোগ?
এই ঘটনায় একাধিক কাস্টমস হাউস এজেন্টের নাম উঠে এসেছে, যা প্রশাসনের একাংশের যোগসাজশের দিকে ইঙ্গিত করছে। তদন্তকারী সংস্থা এখন খতিয়ে দেখছে, বিদেশে পাচার হওয়া হাজার কোটি টাকার প্রকৃত মালিক কারা।
ইডি-র সন্দেহ, এই চক্রের নেপথ্যে কোনও প্রভাবশালী যোগ থাকতে পারে। এছাড়াও, এটি কালো টাকা ঘুরপথে সাদা করার ছক ছিল কিনা, সেই সমস্ত কিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ভারতীয় আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া এবং আর্থিক তছরুপের দিক থেকে এক নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করল।