গোয়ায় গেলে এই রেস্তোরাঁগুলো মিস করা মানেই অর্ধেক ভ্রমণ বৃথা! রইল সেরা ঠিকানার তালিকা

দক্ষিণ গোয়া মানেই শান্ত সমুদ্র সৈকত, দিগন্ত বিস্তৃত জলরাশি আর জিভে জল আনা সি-ফুডের সমাহার। উত্তর গোয়ার জাঁকজমক থেকে দূরে যারা কিছুটা নিরিবিলি আর আভিজাত্যের ছোঁয়া খুঁজছেন, তাদের জন্য দক্ষিণ গোয়া বরাবরই স্বর্গরাজ্য। কিন্তু কোথায় গেলে মিলবে সেরা স্বাদের খোঁজ? আজকের প্রতিবেদনে আমরা দক্ষিণ গোয়ার এমন কিছু আইকনিক রেস্তোরাঁর হদিশ দেব, যা আপনার গোয়া ভ্রমণকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে যাবে।

আগোন্ডার প্যানোরামিক ভিউ ও জেস্ট ক্যাফে
সমুদ্রের বিস্তীর্ণ নীল জলরাশি দেখতে দেখতে শান্তিতে দুপুরের আহার সারতে চাইলে আগোন্ডার সমুদ্রতীরবর্তী রেস্তোরাঁগুলো সেরা। এখানকার সি-ফুড প্লাটার আর সিগনেচার ককটেল পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। বিশেষ করে সূর্যাস্তের সময় এখানকার পরিবেশ হয়ে ওঠে মায়াবী। পাশাপাশি, যারা স্বাস্থ্য সচেতন তাদের জন্য রয়েছে ‘জেস্ট ক্যাফে’। এখানকার স্মুদি বোল, প্যানকেক আর আর্টিজানাল কফি ব্রেকফাস্টের জন্য জাস্ট ফাটাফাটি।

মাজোরডার পেন্টাগন ও ঐতিহ্যবাহী মার্টিন’স কর্নার
পকেটসই দামে যদি খাঁটি গোয়ান বা ইন্ডিয়ান খাবার খুঁজছেন, তবে মাজোরডার ‘পেন্টাগন’ রেস্তোরাঁটি আপনার তালিকায় রাখা বাধ্যতামূলক। পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর খাওয়াদাওয়ার এটি আদর্শ জায়গা। অন্যদিকে, বেতালবাটিমের ‘মার্টিন’স কর্নার’ এক কথায় আইকনিক। সচিন তেন্ডুলকার থেকে শুরু করে বহু তারকার প্রিয় এই আস্তানায় প্রন বালচাও আর ক্র্যাব মাসালা না খেলে আপনার ভোজন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

বেনোলিমের বৈচিত্র্য: ট্র্যাডিশনাল থেকে ইতালিয়ান
বেনোলিম সৈকত সংলগ্ন এলাকায় খাবারের প্রচুর বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যায়। শেফ অবিনাশ মার্টিন্সের জাদুকরী হাতের ছোঁয়ায় আধুনিক ও ঐতিহ্যবাহী গোয়ান খাবারের মেলবন্ধন দেখতে পাবেন এখানকার বিশেষ রেস্তোরাঁয়। যারা সমুদ্রের একদম ধারে ডাইনিং পছন্দ করেন, তাদের জন্য ‘দ্য সাউদার্ন ডেক’ এক অনন্য গন্তব্য। আবার গোয়ায় বসে ইতালিয়ান স্বাদের স্বাদ নিতে চাইলে ‘গুডফেলাস’ আপনার গন্তব্য হতে পারে, যেখানে উড-ফায়ার্ড পিৎজা আর পাস্তা অত্যন্ত জনপ্রিয়।

কোলভা ও কাভালোসিমের আভিজাত্য
দক্ষিণ গোয়ায় লাক্সারি ডাইনিং বা এশীয় খাবারের খোঁজ করলে কোলভার বিলাসবহুল রিসর্ট সংলগ্ন রেস্তোরাঁটি সেরা পছন্দ। সুশি থেকে থাই কারি—স্বাদে ও গুণমানে এরা অতুলনীয়। অন্যদিকে, কাভালোসিমের সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে মাছের কারি আর ভাত খাওয়ার তৃপ্তিই আলাদা। এখানকার প্রশান্ত পরিবেশ আপনার ক্লান্তি নিমেষেই দূর করে দেবে।