সোমবার সকাল ৮টা থেকেই রাজ্যের ভাগ্য নির্ধারণ। হাইভোল্টেজ এই গণনাকে কেন্দ্র করে যখন সারা রাজ্যে উত্তেজনার পারদ চড়ছে, ঠিক তখনই বড়সড় অভয়বাণী শোনালেন প্রশাসনিক মহলের অভিজ্ঞ আধিকারিক সুব্রত গুপ্ত। বিরোধীদের আশঙ্কা এবং আমজনতার উদ্বেগের মাঝে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন— ‘ভোট লুঠের কোনো সম্ভাবনা নেই’।
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার আশ্বাস ভোট গণনার ঠিক আগের রাতে প্রশাসনিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার পর সুব্রত গুপ্ত জানান, প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের সমন্বয়ে এমন এক অভেদ্য দুর্গ গড়া হয়েছে যেখানে নিয়মবহির্ভূত কোনো কাজের সুযোগ নেই। তিনি আরও যোগ করেন, ইভিএম সল্টিং থেকে শুরু করে রাউন্ড অনুযায়ী ফলাফল ঘোষণা—পুরো প্রক্রিয়াটিই হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং ক্যামেরাবন্দি।
বিরোধীদের উদ্বেগে ইতি? উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরেই বিরোধী শিবিরগুলো গণনা কেন্দ্রে কারচুপি এবং ‘ভোট লুঠ’-এর আশঙ্কা প্রকাশ করে সরব হয়েছিল। সেই উত্তপ্ত আবহেই সুব্রত গুপ্তর এই কড়া অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য আদতে সেই সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে বার্তা দিল, যারা গণনাকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা তৈরির কথা ভাবছে।
তৎপর প্রশাসন কেবল মৌখিক আশ্বাস নয়, বাস্তবেও প্রতিটি স্ট্রং রুমের সামনে সিসিটিভি নজরদারি এবং ড্রোন দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, কোনো বুথ বা রাউন্ড নিয়ে অভিযোগ উঠলে তা তৎক্ষণাৎ খতিয়ে দেখা হবে। সুব্রত গুপ্তর এই আত্মবিশ্বাসী মেজাজ সাধারণ ভোটারদের মনেও স্বস্তি এনে দিয়েছে।
আগামীকাল সকালে ইভিএম খুললেই স্পষ্ট হবে বাংলার রায়। তবে তার আগে প্রশাসনিক স্তরে এই কড়া মনোভাব শান্তিপূর্ণ গণনার পথ প্রশস্ত করবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। প্রতিটি মুহূর্তের দ্রুততম আপডেটের জন্য নজর রাখুন আমাদের পাতায়।
আপনার কি মনে হয়? প্রশাসনের এই কড়াকড়ি কি আদেও ভোট লুঠ রুখতে পারবে? কমেন্টে আমাদের জানান।





