কার্ড থাকলেও মিলবে না চিকিৎসা? রোগীদের হয়রানি ও স্বাস্থ্যসাথী দুর্নীতিতে কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি!

রাজ্যের বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোমগুলির একাদিক জটিল সমস্যা সমাধানে সোমবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসল অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রাইভেট হসপিটালস অ্যান্ড নার্সিংহোমস। কলকাতার এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে হাসপাতালের ফায়ার সেফটি বিধি, চিকিৎসা কর্মী ও ডাক্তারদের নিরাপত্তা এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের প্যাকেজের দর পুনর্বিবেচনার মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলি প্রাধান্য পায়। বৈঠক শেষে কলকাতা প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনের সম্পাদক রাজীব পাণ্ডে জানান, অন্যান্য রাজ্যে প্রচলিত আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এ রাজ্যেও চালুর প্রস্তাব স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে পেশ করা হয়েছে।

বৈঠকে চিকিৎসা ক্ষেত্রে হিংসা প্রতিরোধ এবং ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ২০০৯ সালের মেডিক্যাল আইন অবিলম্বে কার্যকর করার জোরালো দাবি ওঠে। রাজীব পাণ্ডে জানান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে এই আইন প্রয়োগে স্বাস্থ্য দফতর ইতিবাচক পদক্ষেপ শুরু করেছে। পাশাপাশি, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কিছু চিকিৎসার নির্ধারিত সরকারি দর অত্যন্ত কম হওয়ায় ছোট ও মাঝারি হাসপাতালগুলি পরিষেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। এই সর্বভারতীয় সমস্যার সমাধানকল্পে দর পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাওয়া হবে বলে জানান তিনি।

আয়ুষ্মান কার্ড ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে সংগঠন জানায়, প্রযুক্তিগত ত্রুটি ও নতুন নিবন্ধনের কারণেই কিছু জায়গায় সাময়িক সমস্যা হচ্ছে। তবে স্বাস্থ্যসাথী বা অন্য প্রকল্পে দুর্নীতি রুখতে সংগঠন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। কোনো হাসপাতালের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণিত হলে তার সদস্যপদ বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।