লোকসভা নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত? কলকাতা বিমানবন্দরে হঠাৎই মুখোমুখি হলেন বাংলার ‘মহাগুরু’ মিঠুন চক্রবর্তী এবং অসমের দাপুটে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। আর এই সাক্ষাৎ ঘিরেই এখন রাজ্য রাজনীতির অন্দরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
১. সৌজন্য না কি অন্য কিছু?
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এদিন কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। ঠিক সেই সময়েই সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি তারকা মিঠুন চক্রবর্তী। দুই হেভিওয়েটের এই সাক্ষাৎ কি স্রেফ সময়ের কাকতালীয় সমাপতন, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে কোনো গভীর রাজনৈতিক পরিকল্পনা? জল্পনা এখন তুঙ্গে।
২. কেন এই সাক্ষাৎ গুরুত্বপূর্ণ?
বিজেপির অন্দরে হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে ‘চাণক্য’ হিসেবে দেখা হয়। উত্তর-পূর্ব ভারতে পদ্ম শিবিরের শক্তিবৃদ্ধিতে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। অন্যদিকে, মিঠুন চক্রবর্তী বাংলায় বিজেপির অন্যতম প্রধান প্রচারক এবং জনপ্রিয় মুখ। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে যখন বিজেপি ঘর গোছাতে শুরু করেছে, তখন এই দুই নেতার একান্ত আলাপচারিতা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
৩. জল্পনার পারদ চড়ছে
সাক্ষাৎ শেষে সংবাদমাধ্যমের সামনে দুজনেই একে ‘সৌজন্যমূলক’ বলে দাবি করলেও রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন— তবে কি এবার বাংলার নির্বাচনে হিমন্তের রণকৌশল এবং মিঠুনের জনপ্রিয়তাকে একসঙ্গে কাজে লাগাতে চাইছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব? যদিও এই বৈঠকের নির্যাস নিয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো পক্ষই বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
৪. নজর এখন ২০২৬-এ
বিগত পঞ্চায়েত এবং লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই মিঠুনকে ফের সক্রিয় হতে দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে, প্রতিবেশী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে হিমন্তের বাংলায় আসা এবং মিঠুনের সঙ্গে নিভৃত আলোচনা কোনো নতুন রাজনৈতিক ‘ধামাকা’র আগাম বার্তা কি না, তা সময়ই বলবে।





