বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগে কনেদের সাজের অন্যতম অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো মেহেন্দি। হাতের তালু তো আছেই, কিন্তু ইদানীংকালে কনেদের পছন্দের তালিকায় এক নম্বরে উঠে এসেছে ‘ব্যাক হ্যান্ড মেহেন্দি ডিজাইন’। হাতভর্তি কারুকাজ বা মিনিমালিস্টিক লুক—সবই এখন দারুণ জনপ্রিয়। বিয়ের সিজনে নিজের হাতকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে রইল সেরা ১০টি ডিজাইনের সুলুকসন্ধান।
সেরা ১০ ব্যাক-হ্যান্ড ডিজাইন: ১. মাণ্ডালা আর্ট: হাতের ঠিক মাঝখানে একটি বড় গোল নকশা, যা চারপাশে ফুল বা লতাপাতা দিয়ে ঘেরা। ২. জালি ওয়ার্ক: পুরো হাতের ওপর জালের মতো সূক্ষ্ম কারুকাজ, যা দেখতে অত্যন্ত রাজকীয়। ৩. ফ্লোরাল কুইন: বড় বড় ফুলের মোটিফ এবং তার সঙ্গে পাতার সূক্ষ্ম কাজ। ৪. মিনিমালিস্টিক ফিঙ্গার ডিজাইন: আঙুলগুলোতে ভারী কাজ এবং হাতের পিছনের পাতায় হালকা নকশা। ৫. পিকক মোটিফ: ময়ূরের পালকের মতো কারুকাজ, যা ট্র্যাডিশনাল লুকে আভিজাত্য আনে। ৬. আরেবিক ট্রেইল: কবজি থেকে আঙুল পর্যন্ত একটি লতানো নকশা। ৭. ব্রেসলেট স্টাইল: কবজি বরাবর এমন নকশা যা দেখে মনে হবে হাতে ভারী গয়না পরে আছেন। ৮. রাজস্থানি মোটিফ: ছোট ছোট জ্যামিতিক নকশায় ভরপুর এক গাম্ভীর্যপূর্ণ লুক। ৯. চেকড প্যাটার্ন: গ্রিড বা চেকের নকশা, যা আধুনিক কনেদের প্রথম পছন্দ। ১০. আর্কিটেকচারাল ডিজাইন: মোগল স্থাপত্যের অনুপ্রেরণায় তৈরি জটিল অথচ সুন্দর নকশা।
মেহেন্দির রঙ গাঢ় করার গোপন টিপস: মেহেন্দি পরার পর রঙ গাঢ় না হলে যেন সাজটাই অপূর্ণ থেকে যায়। রঙ গাঢ় করতে চাইলে এই ঘরোয়া উপায়গুলো মেনে চলতে পারেন:
লবঙ্গ ও লেবুর রস: মেহেন্দি শুকিয়ে যাওয়ার পর চিনি ও লেবুর রস মিশিয়ে তুলা দিয়ে হালকা করে লাগিয়ে নিন।
লবঙ্গ ধোঁয়া: একটি তাওয়ায় কয়েকটি লবঙ্গ গরম করে সেই ধোঁয়া হাতে নিন। এতে রঙ আরও গাঢ় হয়।
ইউক্যালিপটাস তেল: মেহেন্দি লাগানোর আগে হাতে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস বা নীলগিরির তেল মেখে নিন।
প্যাকিংয়ের নিয়ম: মেহেন্দি শুকানোর পর অন্তত ৮-১০ ঘণ্টা জল থেকে হাত দূরে রাখুন। সম্ভব হলে সরষের তেল মালিশ করে রাখুন।
বিয়ের দিন কনের সাজে নতুন মাত্রা যোগ করতে এই ডিজাইনগুলো অনায়াসেই ট্রাই করতে পারেন। আপনার হাতের জাদুতে সেদিন সবাই মুগ্ধ হবেই!





