এক রাতেই ১১টি পাক বিমানঘাঁটিতে সুনির্দিষ্ট হামলা! ৪-৫টি F-16 ও JF-17 ধ্বংস, কী কী নষ্ট হয়েছে পাকিস্তানের মাটিতে?

ভারতের বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং শুক্রবার ৯৩তম এয়ার ফোর্স ডে উদযাপনের সময় এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উন্মোচন করলেন। তিনি জানালেন, গত মে মাসের সংঘর্ষে ভারতীয় বিমানবাহিনী পাকিস্তানের কমপক্ষে ৮ থেকে ১০টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে, যার মধ্যে মার্কিন তৈরি F-16 এবং চীনা JF-17 যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত ছিল।

তিনি পাকিস্তানের এই দাবিকে যে ভারতের বিমান ধ্বংস হয়েছে, তা “মনগড়া কাহিনি” বা কেবল রোমাঞ্চকর গল্প হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছেন।

আকাশে ও মাটিতে পাকিস্তানের ভয়াবহ ক্ষতি
এপি সিং প্রথমবারের মতো বিস্তারিতভাবে এই অভিযানের ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, আকাশে এবং মাটিতে মিলে পাকিস্তানের সামরিক সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে:

লক্ষ্যবস্তু সংখ্যা মন্তব্য
আকাশে ধ্বংসপ্রাপ্ত বিমান ৪–৫টি F-16 ও JF-17 একটি নজরদারি বিমানও ধ্বংস করা হয়েছে।
মাটিতে ধ্বংসপ্রাপ্ত F-16 ৪–৫টি নিখুঁত ও সুনির্দিষ্ট হামলায় ধ্বংস।
রাডার ৪টি সামরিক নজরদারি ক্ষমতা বিপর্যস্ত।
কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার ২টি
রানওয়ে ২টি বিমান ওঠানামায় বড় প্রভাব।
হ্যাঙ্গার ৩টি
সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (SAM) সিস্টেম ১টি

সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই অভিযান সম্ভবত ১০ মে সংঘটিত হয়, যখন ভারত পাকিস্তানের ভিতরে ১১টি সামরিক বিমানবেস লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট হামলা (precision strikes) চালায়। হামলার পরই পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির (সিজফায়ার) অনুরোধ জানিয়েছিল।

সামরিক সক্ষমতার দৃঢ় প্রমাণ
এপি সিং-এর এই তথ্য একদিকে যেমন পাকিস্তানের প্রকৃত সামরিক ক্ষতির চিত্র স্পষ্টভাবে তুলে ধরল, অন্যদিকে এটি ভারতীয় বাহিনীর অসাধারণ কৌশলগত পরিকল্পনা এবং কার্যকারিতার প্রমাণ। দেশের সামরিক সক্ষমতা এবং আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণের দৃঢ়তার উদাহরণ হিসেবে এই ঘটনা ভারতীয় বিমানবাহিনীর ইতিহাসে স্থান করে নেবে।