রাজ্যের রাজনৈতিক অলিন্দে ফের চড়ল উত্তেজনার পারদ। মেদিনীপুরের এক জনসভা থেকে নাম না করে রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বকে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তিনি বলেন, “আপনি খুব শীঘ্রই প্রাক্তন হবেন, আর আপনার সব অপকর্মের হিসাবও নেওয়া হবে।”
এদিন শুভেন্দুর বক্তব্যে উঠে আসে দুর্নীতির একাধিক ইস্যু। হুঁশিয়ারির সুরে তিনি দাবি করেন, তাঁর কাছে “এক ঝুড়ি” তথ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র মজুদ রয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, “হিসাব দেওয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছে। আমরা সব নথিপত্র গুছিয়ে রেখেছি। মানুষ যেমন আপনাকে ক্ষমতাচ্যুত করবে, তেমনই আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে পাই পাই হিসাব দিতে হবে।”
বিরোধী দলনেতার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। যদিও শাসকদলের পক্ষ থেকে এই হুঁশিয়ারিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ নেতৃত্ব। তৃণমূলের একাংশের দাবি, প্রতিবার নির্বাচনের আগে বা জনসভায় এই ধরনের ভিত্তিহীন ‘হুমকি’ দেওয়া শুভেন্দুর অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০২৬-এর ভোট যত এগিয়ে আসছে, বাগযুদ্ধ ততই তীক্ষ্ণ হচ্ছে। শুভেন্দুর এই ‘হিসাব নেওয়ার’ হুঁশিয়ারি কি কেবলই রাজনৈতিক কৌশল, নাকি নেপথ্যে বড় কোনও তথ্য ফাঁসের পরিকল্পনা রয়েছে—তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।





