উত্তরাখণ্ডে ‘অপারেশন পাণ্ডুয়া’! বৈঁচির সোনার দোকানে ডাকাতির মূল মাস্টারমাইন্ড পুলিশের জালে

সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনায় বড় সাফল্য পেল পাণ্ডুয়া থানার পুলিশ। ঘটনার প্রায় ১৮ দিন পর উত্তরাখণ্ড থেকে গ্রেপ্তার করা হলো এই ডাকাতির মূল চক্রী লিপন রায়কে। শুক্রবার তাকে চুঁচুড়া আদালতে পেশ করে দশ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।
কী ঘটেছিল ২৩ জুন? পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুন রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে বৈঁচির মোমলেজপুরের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী গণেশ সরকারের ওপর চড়াও হয় দুই দুষ্কৃতী। মোটর বাইকে করে এসে পথ আটকে ওই ব্যবসায়ীর কাছে থাকা ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে তারা চম্পট দেয়। অভিযোগ, ওই ব্যাগে প্রায় ৫০ থেকে ৭০ গ্রাম সোনার গয়না এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা ছিল। এই ঘটনার পরের দিনই ২৩ জুন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী পাণ্ডুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
উত্তরাখণ্ডে ‘অপারেশন পাণ্ডুয়া’ ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ চারাবাগান এলাকার বাসিন্দা বছর তেত্রিশের লিপন রায়ের নাম জানতে পারে। পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, এই ডাকাতির নেপথ্যে মূল মাথা হিসেবে কাজ করেছে লিপন। তাকে ধরতে দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালায় পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পাণ্ডুয়া থানার একটি বিশেষ দল গতকাল রাতে উত্তরাখণ্ডে হানা দেয়। সেখান থেকেই অভিযুক্ত লিপন রায়কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তদন্তে পুলিশ শুক্রবার বেলা ১২টা নাগাদ ধৃতকে চুঁচুড়া আদালতে তোলা হয়। এই ডাকাতির ঘটনার সাথে আরও কেউ জড়িত কি না বা লুঠ হওয়া সোনা ও টাকা উদ্ধার করা সম্ভব কি না, তা জানার জন্য পুলিশ অভিযুক্তকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আর্জি জানিয়েছে। এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করা এই ডাকাতির রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশি তৎপরতা এখন তুঙ্গে।