উত্তমকুমারের বাড়ির বউয়ের কাঁধে ‘জোড়া লক্ষ্মী’, গৌরীর আদলে তৈরি প্রতিমা থেকে নিজের হাতে পায়েস, কীভাবে পুজো সামলান দেবলীনা?

অভিনেত্রী দেবলীনা কুমার এখন দুই বাড়ির লক্ষ্মীপুজোর দায়িত্ব সামলান। বিয়ের আগে নিজের বাড়িতে পুজো হলেও, বিয়ের পর তিনি মহানায়ক উত্তমকুমারের বাড়ির পুত্রবধূ। ফলে, একদিকে যেমন নিজের বাড়ির লক্ষ্মীপুজো, তেমনই শ্বশুরবাড়ির কিংবদন্তি লক্ষ্মীপুজোর গুরুভার এখন তাঁর কাঁধে।
উত্তমকুমারের বাড়ির কিংবদন্তি লক্ষ্মীপুজো
দেবলীনা এখন এই বাড়ির বড় বউ। শোনা যায়, উত্তমকুমারের স্ত্রী গৌরী দেবীর আদলে নাকি নিজের বাড়ির লক্ষ্মী প্রতিমা তৈরি করেছিলেন। সেই প্রাচীন ছাঁচের তৈরি প্রতিমাতেই এখনও পর্যন্ত পুজো হয়ে আসছে।
পুজোর ঐতিহ্য: উত্তমকুমারের বাড়ির এই লক্ষ্মীপুজোকে ঘিরে প্রচুর মানুষের আগ্রহ। এই দিনটি সবার জন্যই খোলা থাকে। অতিথি অভ্যাগতদের আগমনে বাড়ি ভরে থাকে।
দেবলীনার ভূমিকা: পুজো হয় গভীর রাতে। এই পুজোর যাবতীয় আচার মেনে শ্বশুরবাড়ির কাজও করেন দেবলীনা।
দেবলীনার নিজের বাড়ির এলাহি আয়োজন
জোড়া পুজোর দায়িত্ব থাকায়, দেবলীনা নিজের বাড়ির পুজোর জোগাড় অনেকটাই এগিয়ে রাখেন। পুজোয় ঠাকুর আনা থেকে শুরু করে পায়েস তৈরি— সবই নিজের হাতে করেন তিনি। রবিবার কার্নিভালে যাওয়ার আগেই তিনি বাড়ির পায়েস রান্না করে রেখে গিয়েছিলেন।
ভোগের মেনু: দেবলীনাদের বাড়ির পুজোয় প্রতি বছর নাড়ু হবেই হবে। এছাড়া থাকে লুচি, পোলাও, ডাল, ভাজা, ছানার ডালনা, চাটনি, পাঁপড় আর পায়েস।
সন্দেশ নিয়ে মজার কাণ্ড: প্রতিবারই দেবলীনাদের বাড়িতে এক ধরণের বিশেষ মাখা সন্দেশ তৈরি হয়। এবার নাকি সন্দেশ মিহি হচ্ছিল না বলে সবটা নিয়ে তিনি মিক্সিতে বেটেছেন! তবে তিনি জানিয়েছেন, মিক্সিতে বাটার পর সন্দেশ মোটামুটি তৈরি হয়েছে।
নতুন সংযোজন: এবার দেবলীনার এক ছাত্রী তাঁদের বাড়িতে একটি বিশেষ সাদা নাড়ুও তৈরি করে দিয়েছেন।
দেবলীনা কুমার যেমন শ্বশুরবাড়ির ঐতিহ্যের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন, তেমনই নিজের বাড়ির পুজোতেও বজায় রেখেছেন নিজস্বতা।