তপ্ত রোদে পুড়ছে দেশ। তাপমাত্রা কোথাও ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে, তো কোথাও পারদ ছুঁইছুঁই। কিন্তু আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আসল লড়াইটা এখনও বাকি। কারণ, আগামী ২৫ মে থেকে শুরু হতে চলেছে বছরের সবথেকে উষ্ণ সময়কাল ‘নওতপা’। জ্যোতিষশাস্ত্র এবং প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে এই ৯ দিন সূর্যের তেজ হবে দ্বিগুণ। জ্যৈষ্ঠ মাসে সূর্য যখন রোহিণী নক্ষত্রে প্রবেশ করে, তখনই এই প্রলয়ঙ্করী উত্তাপের সৃষ্টি হয়।
নওতপা কী এবং কেন এত ভয়ঙ্কর?
শাস্ত্র মতে, ২৫ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত সূর্যদেব পৃথিবীর সবথেকে কাছাকাছি অবস্থান করবেন। এই ৯ দিন তাপপ্রবাহ বা ‘লু’ এর দাপট চরমে পৌঁছাবে। তবে এই দহনজ্বালার পেছনে একটি ইতিবাচক দিকও রয়েছে। মনে করা হয়, নওতপার এই ৯ দিন যদি সূর্য যত বেশি উত্তাপ ছড়াবে, বর্ষাকালে বৃষ্টির পরিমাণ তত ভালো হবে। অর্থাৎ, আগামী দিনের উর্বরতার জন্য এই তপ্ত দহন সহ্য করা প্রকৃতিরই এক পরীক্ষা।
ভাগ্য ফেরানোর মোক্ষম সুযোগ:
তীব্র গরমে সাধারণ মানুষের সেবা করার মাধ্যমে জন্মকুণ্ডলীর দোষ কাটানো সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এই সময়ে অভাবী মানুষকে জল, শরবত, ছাতু বা পাখা দান করলে সূর্য দেব তুষ্ট হন। বিশেষ করে রাস্তার পশু-পাখিদের জন্য জলের পাত্র রাখা অত্যন্ত পুণ্যকর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়।
সতর্কতা ও খাদ্যাভ্যাস:
১. তামসিক আহার ত্যাগ: এই সময়ে পেঁয়াজ, রসুন ও অতিরিক্ত মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।
২. তাজা খাবার: বাসি খাবার খেলে পেটের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
৩. ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণ: প্রখর রোদে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলুন।





