আইভিএফ-এ চরম গাফিলতি! দিল্লি এনসিআর-এর নামী ক্লিনিকে অদলবদল সন্তানদের?

দিল্লি-এনসিআর-এর একটি নামী আইভিএফ ক্লিনিকে জন্ম নেওয়া যমজ কন্যাসন্তানদের অদলবদলের অভিযোগে তোলপাড়। গুরুগ্রামের বাসিন্দা রাহুল রাঠৌর ও তাঁর স্ত্রী মিনু আইভিএফ পদ্ধতিতে সন্তান লাভের আশায় গ্রেটার কৈলাসের এই ক্লিনিকে ৫-৬ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছিলেন। ৫ জানুয়ারি যমজ কন্যা জন্মের পর থেকেই শিশুদের চেহারায় অমিল দেখে সন্দেহ হয় দম্পতির। এরপর দুটি স্বাধীন ল্যাবরেটরিতে ডিএনএ পরীক্ষা করালে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে—শিশু দুটি জৈবিকভাবে রাহুল বা তাঁর স্ত্রীর সন্তান নয়।
ভুক্তভোগী বাবা রাহুল অভিযোগ করেছেন, ৭ জানুয়ারি থেকে হাসপাতাল, স্বাস্থ্য মন্ত্রক ও এআরটি (ART) বিভাগে অভিযোগ জানিয়েও তিনি কোনো প্রতিকার পাননি। তিন মাস বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে শেষ পর্যন্ত সাকেত আদালতের হস্তক্ষেপে এফআইআর দায়ের করতে সক্ষম হন। তবে অভিযোগ, মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পরদিনই তদন্তে স্থগিতাদেশ আসায় বিচার প্রক্রিয়া থমকে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে ৫ জুন থেকে তদন্ত পুনরায় শুরু হলেও, রাহুল রাঠৌরের দাবি, পুলিশ মূল অভিযোগের গভীরে না গিয়ে শুধুমাত্র আইনি ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে। আইভিএফ ও সারোগেসির সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকার অভাবকে অজুহাত দেখিয়ে এই সংবেদনশীল বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে তাঁর অভিযোগ। সঠিক বিচারের আশায় এখন আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এই অসহায় দম্পতি।