‘অশ্লীল ভাষা’ কেন? নিজের আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক স্টাইল নিয়ে বোমা ফাটালেন কুণাল ঘোষ!

রাজনীতির ময়দানে নিজের আক্রমণাত্মক ভাষা এবং সোচ্চার মেজাজ নিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। রাজনৈতিক সংঘাতে কেন তিনি প্রায়শই চড়া সুরে আক্রমণ শানান এবং তীব্র শব্দচয়ন করেন, তার এক স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন এই প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা। বিরোধীদের লাগাতার আক্রমণ ও সমালোচনার মুখে নিজের অবস্থান সাফ করে কুণাল বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, রাজনৈতিক ময়দানে তর্কের ধরন এবং ভাষার ব্যবহার পরিস্থিতির ওপরই নির্ভর করে।

সাম্প্রতিক সময়ে রাজনীতির অঙ্গনে তরজা তুঙ্গে। বিরোধী দলগুলির পক্ষ থেকে শাসক শিবিরকে নিশানা করতে গিয়ে প্রায়শই নানা কড়া ভাষায় আক্রমণ করা হয়। এর পালটা দিতে গিয়ে তৃণমূলের তরফ থেকেও আক্রমণ শানানো হয়। এই রাজনৈতিক সংঘাত ও বাকযুদ্ধের আবহে কুণাল ঘোষের আক্রমণাত্মক ভাষা ও মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে দীর্ঘ দিন ধরেই চর্চা চলে আসছে। অনেকেই তাঁর বক্তব্যকে ‘অশ্লীল’ বা মাত্রাতিরিক্ত আক্রমণাত্মক বলে সমালোচনা করেছেন। তবে এই সমস্ত সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে কুণাল ঘোষ নিজের রাজনৈতিক ভাষা ব্যবহারের নেপথ্যের কারণ এবং প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন।

তাঁর মতে, রাজনৈতিক লড়াইয়ে বিরোধীরা যখন ব্যক্তিগত আক্রমণ বা আক্রমণাত্মক কৌশল নেয়, তখন তার উপযুক্ত জবাব দেওয়ার জন্য ভাষাগত অবস্থানও সেই অনুযায়ী তৈরি করতে হয়। রাজনীতিতে তর্কের ভাষা বা প্রতিবাদের ধরন একপেশে হতে পারে না। রাজনৈতিক সংঘাতে টিকে থাকতে এবং মানুষের সামনে সঠিক বার্তা তুলে ধরতে অনেক সময় কড়া বা ঝাঁজালো ভাষা ব্যবহার করা ছাড়া উপায় থাকে না বলে মনে করেন তিনি। নিজের এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, রাজনৈতিক লড়াইয়ে তিনি পিছু হটতে নারাজ এবং বিরোধীদের আক্রমণ মোকাবিলা করার জন্য তাঁর এই আক্রমণাত্মক স্টাইল ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।