রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প। আগের সরকারের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের ১৫০০ টাকার পরিবর্তে এখন মহিলারা ৩০০০ টাকা করে পাবেন বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে প্রকল্পের শুরুর লগ্নেই দেখা দিয়েছে উপভোক্তার সংখ্যা নিয়ে তীব্র বিতর্ক। পূর্বতন সরকারের দেওয়া ২ কোটি ৪২ লক্ষের হিসেব এবং বর্তমান সরকারের তথ্যের মধ্যে বিশাল ফারাক তৈরি হয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, আগের তালিকায় প্রচুর ভুয়ো, মৃত ও অবৈধ উপভোক্তা ছিল। যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রায় ৩০ লক্ষ নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু নবান্নের অসংগতি মেলাতে গিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সেই ২২ লক্ষ উপভোক্তাকে নিয়ে, যাদের হিসেব এখনও পাওয়া যাচ্ছে না। এই জটিলতা এড়াতে নতুন সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রাপকদের ফের নতুন করে ১২ পাতার আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের এই ফর্মে পরিবারের সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য দিতে হবে, যা যাচাই করে নতুন তালিকায় নাম যোগ করা হবে। তবে স্বস্তির খবর, যতক্ষণ না পর্যন্ত অন্নপূর্ণা প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত হচ্ছে, ততক্ষণ উপভোক্তারা পূর্বের মতোই ৩ মাস ধরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ১৫০০ টাকা করে পাবেন। এখন দেখার বিষয়, সঠিক তথ্য যাচাইয়ের পর শেষ পর্যন্ত কতজন এই নতুন প্রকল্পের আওতায় আসেন।





