উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ে এক বিবাহিত তরুণী কাইনাতের রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে নতুন মোড়। গত ১৫ই মে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়, কিন্তু প্রাথমিক ময়নাতদন্ত রিপোর্টে ‘ফাঁসিতে মৃত্যু’র কথা বলা হলেও পরিবারের দাবি—এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। স্নানের সময় মৃতদেহে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন দেখার পরই পরিবারের সন্দেহ দৃঢ় হয়। হাইকোর্টের নির্দেশে শুক্রবার পুনরায় কবর থেকে দেহ তুলে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে, যখন কাইনাতের বিয়ে হয় উন্নাওয়ের বাঙ্গারমাউয়ের বাসিন্দা শিম্বু আনসারির সঙ্গে। বিয়ের পর থেকেই বধূ নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। ১৫ই মে স্বামী শিম্বুর বড় ভাই ফোন করে কাইনাতের অসুস্থতার খবর দেয়। বাপের বাড়ির লোকজন উন্নাওতে পৌঁছে দেখেন, কাইনাতের মৃতদেহ একটি ডিপ ফ্রিজারে রাখা হয়েছে এবং স্বামী শিম্বুসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক।
পরিবারের অভিযোগ, প্রাথমিক ময়নাতদন্তে সত্য গোপনের চেষ্টা করা হয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তাঁরা। প্রশাসনের উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের তত্ত্বাবধানে শুক্রবার দেহ তোলা হয় এবং পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য উন্নাওয়ে পাঠানো হয়। গভীর রাতে পুনরায় দেহ দাফন করা হয়েছে। এখন নতুন রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন কাইনাতের পরিবার। পুলিশ জানিয়েছে, রিপোর্ট পাওয়ার পরই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব নিহতের পরিবার।





