শুধু টেসলা নয়! প্রতি ৩০ মিনিটে উড়ন্ত গাড়ির পার্টস তৈরি করছে Xpeng, কবে থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি?

যানজটের দুঃস্বপ্ন থেকে মুক্তি পেতে চলেছেন সাধারণ মানুষ! খুব শীঘ্রই বাজারে আসতে চলেছে উড়ন্ত গাড়ি (Flying Car), যা রাস্তায় দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার দুর্ভোগ দূর করবে। চিনের সংস্থা এক্সপ্যাঙ্গ (Xpeng) ইতিমধ্যেই এই উড়ন্ত গাড়ির পরীক্ষামূলক উৎপাদন (Trial Production) শুরু করে দিয়েছে। যদিও এলন মাস্কের টেসলা সহ আরও কয়েকটি সংস্থা ফ্লাইং কার আনার ঘোষণা করেছে, তার আগেই এক্সপ্যাঙ্গ ট্রায়াল শুরু করে আলোড়ন ফেলল।

জ়িনহুয়া সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, এক্সপ্যাঙ্গ নেক্সট জেনারেশন মাস ট্রান্সপোর্ট হিসেবে ফ্লাইং কার লঞ্চ করবে। গুয়াংডং প্রদেশের গুয়াংঝু জেলায় অবস্থিত এক্সপ্যাংয়ের ১,২০,০০০ বর্গ মিটার প্ল্যান্টেই তৈরি হচ্ছে এর ডিটাচেবল ইলেকট্রিক এয়ারক্রাফ্ট, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ল্যান্ড এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার’। এই ক্যারিয়ারের মাধ্যমেই ফ্লাইং কার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করবে।

কারখানার উৎপাদন ক্ষমতা অত্যাধুনিক: প্রাথমিক লক্ষ্য ৫০০০ ল্যান্ড এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার হলেও, এই প্ল্যান্ট বছরে সর্বাধিক ১০,০০০ ডিটাচেবল ক্যারিয়ার তৈরি করতে সক্ষম। প্রযুক্তির উন্নতির ফলে প্রতি ৩০ মিনিটে একটি ল্যান্ড এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার অ্যাসেম্বল করা সম্ভব হচ্ছে।

টেসলা ও অন্যান্যদের প্রস্তুতি: অন্যদিকে, টেসলাও তাদের ফ্লাইং কার বাজারে আনার প্রস্তুতি শুরু করেছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এলন মাস্ক জানিয়েছিলেন, কয়েক মাসের মধ্যেই টেসলার ফ্লাইং কার লঞ্চ হবে, যদিও তিনি প্রযুক্তির বিষয়ে মুখ খোলেননি। এর পাশাপাশি, আমেরিকার অন্য সংস্থা অ্যালেফ অ্যারোনটিক্স একটি ডেমো প্রকাশ করলেও বাণিজ্যিকভাবে প্রস্তুত করতে তাদের আরও কিছুটা সময় লাগবে।

এক্সপ্যাঙ্গের ফ্লাইং কারের নকশা দুটি অংশে বিভক্ত: প্রথম অংশ, যা ‘মাদারশিপ’ নামে পরিচিত, সেখানে ৬টি চাকা যুক্ত থাকবে। অন্য ডিটাচেবল অংশটি হলো ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল টেক অফ এবং ল্যান্ডিং এয়ারক্রাফ্ট। সংস্থাটি ২০২৬ সাল থেকে এর বাণিজ্যিক বিক্রি শুরু করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে। এই গাড়িতে ম্যানুয়াল এবং অটোমেটিক মোড থাকবে। অটোমেটিক মোডে থাকবে ওয়ান টাচ স্মার্ট রুট প্ল্যানিং এবং টেক অফ/ল্যান্ডিং-এর সুবিধা। এই যান সাধারণ রাস্তাতেও অনায়াসে যাতায়াত করতে পারবে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy