নির্বাচন পরিচালনায় এক চুলও গাফিলতি মানা হবে না—এই বার্তাকে ফের বাস্তবে প্রমাণ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। হুগলি জেলার চুঁচুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের জেনারেল অবজারভার সি. পলরাসু-র পারফরম্যান্সে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তাঁকে অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে কমিশন। এই নজিরবিহীন কড়া পদক্ষেপের জেরে জেলা প্রশাসনের অন্দরে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।
রাজ্য ত্যাগের নির্দেশ:
কমিশন কেবল তাঁকে দায়িত্ব থেকেই সরায়নি, বরং তাঁকে অবিলম্বে পশ্চিমবঙ্গ ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছে। পর্যবেক্ষকের কাজে কোনো রকম বিচ্যুতি ঘটলে যে কমিশন কঠোর অবস্থান নেবে, এটি তারই প্রমাণ। সি. পলরাসুর জায়গায় চুঁচুড়া বিধানসভার অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পার্শ্ববর্তী কেন্দ্রের জেনারেল অবজারভার রাজেশ কুমার শর্মা-কে।
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি:
পর্যবেক্ষককে সরানোর ঘটনা এবারের নির্বাচনে এই প্রথম নয়। এর আগে কোচবিহার উত্তর কেন্দ্রের পর্যবেক্ষককে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছিল, কারণ তিনি খোদ মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের প্রশ্নের জবাবে নিজের এলাকার বুথ সংখ্যা বলতে পারেননি। চুঁচুড়ার ক্ষেত্রেও কাজের মান বা সক্রিয়তায় খামতি থাকায় কমিশন এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
কমিশনের কড়া নজরদারি:
স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নির্বাচনী বিধি বলবৎ করার ক্ষেত্রে অবজারভারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, জেনারেল অবজারভারদের পারফরম্যান্স প্রতিনিয়ত মনিটর করা হচ্ছে। চুঁচুড়ার এই ঘটনা বাকি আধিকারিকদের জন্যও এক সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে।





