গাজিয়াবাদের খোদা থানা এলাকায় সূর্য চৌহান হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সামনে এল এক ভয়াবহ সত্য। প্রাথমিক তদন্তে বাইক বিবাদকে কারণ হিসেবে দেখালেও, আসল রহস্য লুকিয়ে ছিল এক ‘নিষিদ্ধ প্রেম’ ও সম্মানের লড়াইয়ের আড়ালে। জানা গেছে, প্রধান অভিযুক্ত আসাদের বোনের সঙ্গে সূর্য চৌহানের প্রেমের সম্পর্ক ছিল, যা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিনের তিক্ততা ছিল। এই আক্রোশ থেকেই আসাদের পরিবার সূর্যকে সরিয়ে দেওয়ার ছক কষে।
২৮ মে, ঈদের দুপুরে বাইক বিবাদের নাটক সাজিয়ে সুরিয়াকে ফাঁদে ফেলা হয়। এর ঠিক আধ ঘণ্টা পর আসাদ, তার বাবা নবাব ও সঙ্গীরা সুরিয়াকে ঘিরে ধরে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, আসাদের বাবা নবাব চিৎকার করে নির্দেশ দিয়েছিল, “আজই এই কাহিনীর ইতি টানো।” বাবার প্ররোচনায় ফারহানের দেওয়া ছুরি দিয়ে আসাদ পরপর একাধিকবার কোপায় সুরিয়াকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুরিয়া মারা যায়। মূল অভিযুক্ত আসাদ পুলিশের এনকাউন্টারে খতম হলেও বাকি তিন অভিযুক্ত এখন জেলহাজতে।
এদিকে, শোকাভিভূত সুরিয়ার মা সরোজ অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে সরব। তিনি দাবি তুলেছেন, আসাদের মতোই বাকি অপরাধীদের এনকাউন্টার করা হোক এবং তাদের বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হোক। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই অমানবিক হত্যাকাণ্ডের পর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার দাবি জানিয়েছেন। কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে আসাদের দাফন সম্পন্ন করেছে পুলিশ।





