উত্তরপ্রদেশের বিধানসভার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আসন—মৌ-এর ঘোসি, সোনভদ্র-এর দুধি এবং বরেলি-র ফরিদপুর দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পড়ে রয়েছে। বিধায়কদের অকাল প্রয়াণের পর আসনগুলি শূন্য হলেও, নির্বাচন কমিশন এখনও নির্বাচনের কোনো ঘোষণা না করায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা।
আইন অনুযায়ী, কোনো আসন শূন্য হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে উপনির্বাচন সম্পন্ন হওয়া বাধ্যতামূলক। অথচ ২০ নভেম্বর, ২০২৫-এ সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক সুধাকর সিং-এর মৃত্যুর পর থেকে ঘোসির আসনটি ইতিমধ্যেই ছয় মাসের সময়সীমা অতিক্রম করেছে। একইভাবে ফরিদপুর ও দুধি আসন দুটিও কয়েক মাস ধরে খালি রয়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার কারণে এই বিলম্ব হতে পারে। তবে ১০ এপ্রিল চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরও এক মাস পেরিয়ে যাওয়ায় কমিশনের নীরবতা প্রশ্নের মুখে।
জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১৫১ক ধারা স্পষ্ট বলছে, বিধানসভার মেয়াদ অন্তত এক বছর বাকি থাকলে উপনির্বাচন করা জরুরি। যেহেতু বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ ২০২৭ সালের মে মাস পর্যন্ত, তাই এই উপনির্বাচন এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবুও কমিশনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষক রাজেন্দ্র কুমারের মতে, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কমিশনের উচিত দ্রুত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা। জনআস্থা ধরে রাখতে এই বিলম্বের কারণ স্পষ্ট করা এখন সময়ের দাবি।





