তীব্র তাপপ্রবাহে নাজেহাল দেশবাসীর নজর এখন কেরলের দিকে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর আগমনে বিলম্বের খবরে উদ্বেগ বাড়ছে কৃষক থেকে শহরবাসী সকলের মধ্যে। ২৬ মে কেরলে বর্ষা প্রবেশের পূর্বাভাস থাকলেও, তা পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর (IMD) এখন ২ থেকে ৪ জুনের নতুন সময়সীমা ধার্য করেছে। যদিও কেরলে প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি চলছে, তবুও আইএমডি-র বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড পূরণ না হওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে বর্ষার ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি।
উত্তর ও মধ্য ভারতের রাজ্যগুলোতে তাপমাত্রা ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাওয়ায় দেশ এখন চরম জলবায়ু পরিস্থিতির সাক্ষী হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, আরব ও বঙ্গোপসাগরের পরিস্থিতির কারণে বাতাসের দিক ও আর্দ্রতা বর্ষার অনুকূলে নেই। সবচেয়ে উদ্বেগের কারণ প্রশান্ত মহাসাগরের ‘এল নিনো’ প্রভাব, যা ভারতীয় বর্ষাকে দুর্বল করে দিতে পারে। আইএমডি-র দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর স্বাভাবিকের চেয়ে কম অর্থাৎ দীর্ঘকালীন গড়ের ৯২ শতাংশ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
দুর্বল বর্ষার প্রভাব পড়বে খরিফ ফসলের ওপর, যা খাদ্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে মুদ্রাস্ফীতিকে উসকে দিতে পারে। একইসঙ্গে বিদ্যুৎ চাহিদা ও জল সংকট নিয়ে সরকার সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি মিটে যেতে পারে। আপাতত, বর্ষার অগ্রগতির দিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।





