মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে এক ভয়াবহ পারিবারিক ট্র্যাজেডির ঘটনা সামনে এসেছে। আধারতাল এলাকার নিউ কাঞ্চনপুরের বাসিন্দা নেহা সিংয়ের রহস্যমৃত্যুর একদিন পরেই, তাঁর স্বামী ময়াঙ্ক সিং চৌহানের ঝুলন্ত মৃতদেহ শোভাপুরের একটি পরিত্যক্ত কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। দম্পতির ৮ বছর বয়সী সন্তানের জবানবন্দি এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
শিশুটির বয়ান অনুযায়ী, ৩রা জুন রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র ঝগড়া হয়। সেই সময় ময়াঙ্ক নেহাকে ফাঁস দিতে প্ররোচিত করে এবং টেবিল ধাক্কা দিয়ে তাকে ঝুলিয়ে দেয়। পরবর্তীতে নেহার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর সে নিজেকেও শেষ করার সিদ্ধান্ত নেয়। পুলিশের হাতে আসা ময়াঙ্কের সুইসাইড নোটে সে নেহাকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। ময়াঙ্ক তার নোটে অভিযোগ করেছে যে, নেহার কাজ এবং পারিবারিক কলহের কারণে সে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছিল। সুইসাইড নোটে সে তার ভাবি ও মাসির বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগও তুলেছে।
তদন্তে জানা গেছে, এটি উভয়েরই দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। নেহার স্পা সেন্টারে কাজ করা নিয়ে দম্পতির মধ্যে প্রায়ই বিবাদ হতো। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পুলিশের স্পা সেন্টার অভিযানের সময় নেহার উপস্থিতি ময়াঙ্কের সাথে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটায়। আধারতাল ও রাঁচি পুলিশ যৌথভাবে এই জোড়া মৃত্যুর মামলার তদন্ত শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং ফরেনসিক পরীক্ষা থেকে প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় পুরো এলাকা শোকস্তব্ধ।





