রাজ্যে প্রথম দফার ভোটের কাউন্টডাউন শুরু হতেই নজিরবিহীন সক্রিয়তা দেখা দিল নির্বাচন কমিশনের অন্দরে। ভোটের ময়দানে সব থানার ওসি (OC) ও আইসি (IC)-দের ভূমিকা এবার আতসকাঁচের তলায়। শনিবার সকাল সাড়ে দশটা থেকে প্রথম দফার ভোট হওয়া এলাকাগুলোর পুলিশকর্তাদের নিয়ে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল।
পুলিশি নিষ্ক্রিয়তায় জিরো টলারেন্স:
কমিশন সূত্রে খবর, এই বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দেবেন সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর এসপি (SP) এবং সিপি (CP)-রা। উপস্থিত থাকবেন পুলিশ অবজার্ভাররাও। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে বেশ কয়েকজন ওসি-কে সাসপেন্ড করেছে কমিশন। এদিনের বৈঠকে সেই উদাহরণ টেনেই কড়া বার্তা দেওয়া হতে পারে। স্বচ্ছ ও অবাধ ভোট করাতে পুলিশকে যে কোনো রাজনৈতিক প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে, সেটাই হবে এই বৈঠকের মূল নির্যাস।
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে নয়া নির্দেশিকা:
ভোটকর্মীদের ভোটদান নিয়েও বড় পদক্ষেপ নিয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। অভিযোগ উঠেছিল, পর্যাপ্ত পরিকাঠামো না থাকায় ভোটকর্মীরা পোস্টাল ব্যালট দিতে সমস্যায় পড়ছেন। এরপরই তড়িঘড়ি সব জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ভোট গ্রহণের ৩ দিন আগে থেকে ১ দিন আগে পর্যন্ত ফেসিলিটেশন সেন্টারগুলোতে ব্যালটের সুব্যবস্থা রাখতে হবে। ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারেও ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। ইসিআই (ECI)-এর নিয়ম মেনে ব্যালট সংরক্ষণ ও গোপনীয়তা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে কমিশন।





