উত্তরপ্রদেশের রামপুরের সমাজবাদী পার্টির দাপুটে নেতা আযম খানকে বড়সড় ধাক্কা দিল আদালত। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন রামপুরের তৎকালীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ডিএম)-কে উদ্দেশ্য করে চরম বিতর্কিত এবং অপমানজনক মন্তব্য করেছিলেন তিনি। ভট থানা এলাকায় এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখার সময় তিনি বলেছিলেন, “উনি একজন বেতনভোগী কর্মচারী (তনখইয়া)। উনিকে ভয় পাবেন না। আমি এমন একজনের (মায়াবতী) সঙ্গে জোট করেছি যে জুতো পরিষ্কার করায়। ইনশাআল্লাহ, নির্বাচনে জেতার পর আমি উনিকে দিয়ে আমার জুতো পরিষ্কার করাবো।” তাঁর এই অহঙ্কারী মন্তব্য সেসময় রামপুর থেকে দিল্লি পর্যন্ত আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
এই বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের মামলায় আজ শনিবার রামপুরের বিশেষ এমপি-এমএলএ (MP-MLA) কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট শোভিত বনসাল আযম খানকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। আদালত আযম খানকে ২ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫,০০০ টাকা জরিমানার সাজা শুনিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে চলা এই হাই-প্রোফাইল মামলার শুনানির পর আদালতের এই রায়ে সমাজবাদী পার্টির অন্দরে জোর ধাক্কা লেগেছে। আযম খান এর আগেও বেশ কয়েকটি জালিয়াতি ও ফৌজদারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং বর্তমানে তিনি রামপুর জেলেই বন্দি রয়েছেন। এই নতুন সাজার ফলে তাঁর আইনি ও রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হলো বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।





