খাতায়-কলমে বর্ষা প্রবেশ করেছে বাংলায়, কিন্তু তাতেও শহরবাসীর কপালে স্বস্তি নেই। মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু পা রাখলেও, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ এখনও বর্ষার দেখা পায়নি। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের খবর অনুযায়ী, শহরবাসীকে এই প্যাচপ্যাচে গরম ও আর্দ্রতার দাপটে আরও ৪-৫ দিন কাটাতে হতে পারে।
উত্তরবঙ্গে বর্ষার দাপট নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই উত্তরবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করেছে। ইতিমধ্যে কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ির বেশিরভাগ অংশ এবং দার্জিলিংয়ের কিছু অংশে মৌসুমি বায়ু পৌঁছে গেছে। আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা, পাহাড় সংলগ্ন এই তিন জেলায় আগামী কয়েক দিন অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গের ভাগ্যে কী আছে? দক্ষিণবঙ্গের জন্য আপাতত কোনো সুখবর নেই। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৪-৫ দিন পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকবে। আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭৮ শতাংশের বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল শহরবাসী। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
বুধবার বৃষ্টির পূর্বাভাস যদিও বর্ষা পুরোপুরি সক্রিয় নয়, তবুও বুধবার থেকে আবহাওয়া কিছুটা বদলানোর ইঙ্গিত রয়েছে।
কমলা সতর্কতা: পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও হুগলিতে বৃষ্টির সঙ্গে ৫০-৬০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।
কলকাতার অবস্থা: কলকাতা এবং গাঙ্গেয় উপত্যকার জেলাগুলিতে বুধবার ও বৃহস্পতিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও, তাপমাত্রায় বড় কোনো পরিবর্তন আসবে না। আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বর্ষার ঘাটতির আশঙ্কা মৌসম ভবনের আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল, এল নিনোর (El Niño) প্রভাবে এবার বর্ষায় বৃষ্টির পরিমাণ গড়ের চেয়ে কিছুটা কম হতে পারে। আপাতত সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও, তীব্র অস্বস্তি থেকে দ্রুত মুক্তির কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনই নেই।.





