মুখ ফর্সা, ঘাড় কালো? এই ঘরোয়া স্ক্রাব ও প্যাকেই মিলবে সমাধান!

মুখের ত্বকের সঙ্গে ঘাড়ের ত্বকের রঙের অমিল থাকলে দেখতে বেশ খারাপ লাগে। এই সমস্যা অনেক মানুষের মধ্যেই দেখা যায়। মেকআপ করার পরেও মুখ ও ঘাড়ের রঙের পার্থক্য স্পষ্ট বোঝা যায়। ঘাড়ে বেশি ঘাম হওয়ার কারণে মুখের ত্বকের তুলনায় এই অংশটি দ্রুত কালো হয়ে যায়। তবে কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে এই বিরক্তিকর সমস্যার সমাধান সহজেই পাওয়া যেতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই দুটি সহজ উপায়:

১. ব্রাইটেনিং স্ক্রাব:

প্রথমে একটি পাত্রে এক টেবিল চামচ নারকেল তেল নিন।
এর সঙ্গে এক টেবিল চামচ কফি গুঁড়া ভালোভাবে মেশান।
এবার এই মিশ্রণে আধা টেবিল চামচ বেকিং পাউডার যোগ করে আবার মেশান।
সবশেষে দুটি ভিটামিন সি ট্যাবলেট গুঁড়ো করে মিশিয়ে নিন।
তৈরি হয়ে গেল আপনার ব্রাইটেনিং স্ক্রাব। নিয়মিত ব্যবহারে খুব দ্রুত ঘাড়ের কালো দাগ থেকে মুক্তি পাবেন।
২. উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিকারী প্যাক:

একটি পাত্রে আধা চা চামচ নারকেলের দুধ নিন।
এর সঙ্গে আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়া মেশান।
এরপর এক চা চামচ অ্যালোভেরা জেল যোগ করুন।
সবশেষে আধা চা চামচ লেবুর রস দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
মসৃণ পেস্ট পেতে চাইলে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিতে পারেন।
ব্যবহারের পদ্ধতি:

প্রথম ধাপ: একটি টাওয়াল গরম জলে ডুবিয়ে ভালো করে নিংড়ে নিন। এরপর গরম টাওয়ালটি পুরো ঘাড়ে পেঁচিয়ে ৫ থেকে ৭ মিনিট রাখুন। এতে ঘাড়ের ত্বকের পোর বা লোমকূপগুলো খুলে যাবে, যা স্ক্রাব ও প্যাকের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

দ্বিতীয় ধাপ: তৈরি করা ব্রাইটেনিং স্ক্রাবটি পুরো ঘাড়ে লাগান। ১০ মিনিট ধরে হালকা হাতে круговыми движениями ম্যাসাজ করতে থাকুন। ম্যাসাজ করার পর হালকা গরম জল দিয়ে ঘাড় ধুয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন।

তৃতীয় ধাপ: এবার তৈরি করা উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিকারী প্যাকটি একটি ব্রাশের সাহায্যে গলা এবং ঘাড়ে লাগিয়ে নিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট অথবা প্যাকটি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর হালকা গরম জল দিয়ে প্যাকটি তুলে ফেলুন।

চতুর্থ ধাপ: সবশেষে, পরিষ্কার ঘাড়ে একটি হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।

এই পুরো প্রক্রিয়াটি প্রতি সপ্তাহে একবার করে নিয়মিত করুন। কিছুদিনের মধ্যেই আপনি মুখ ও ঘাড়ের ত্বকের রঙের পার্থক্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে দেখবেন এবং আপনার ঘাড়ের ত্বক আরও উজ্জ্বল ও মসৃণ হয়ে উঠবে।