গরমে তৃষ্ণা মেটাতে কিনছেন ডাব? জলের পরিমাণ বেশি না শাঁস, চেনার সহজ উপায়!

গ্রীষ্মকালে ডাবের জল শরীরকে যেমন শান্তি এনে দেয়, তেমনই ক্লান্তি দূর করতে এর জুড়ি মেলা ভার। অনেকের কাছে ডাবের জলই প্রিয়, আবার কেউ ভালোবাসেন ঘন শাঁস। তবে বাজার থেকে ডাব কেনার সময় অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যান, কোন ডাবে বেশি জল আর কোনটিতে পুরু শাঁস থাকবে, তা বোঝা মুশকিল। চিন্তা নেই, ডাব চেনার কিছু সহজ কৌশল জানা থাকলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
ডাবের আকার:
অনেকের ধারণা, ডাবের আকারের উপর নির্ভর করে জলের পরিমাণ। তবে সব সময় এই ধারণা সঠিক নাও হতে পারে। খুব বড় বা খুব ছোট ডাবের বদলে মাঝারি আকারের ডাব বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। কেনার আগে ডাবটি ভালো করে ঝাঁকিয়ে দেখুন। যদি ভেতরে টলটলে আওয়াজ পান, তাহলে বুঝবেন তাতে যথেষ্ট জল আছে। আওয়াজ কম হলে বা না থাকলে সেটি শাঁসযুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
ডাবের রঙ:
ডাবের রঙ দেখেও অনেক সময় জলের পরিমাণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। যদি ডাবের রঙ ধূসর বা ছাই রঙের হয় এবং তার উপর ফিতের মতো দাগ থাকে, তবে সেই ডাব এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। বাদামি বা হলদে ছোপযুক্ত ডাবেও জলের পরিমাণ কম থাকতে পারে। সাধারণত, হালকা সবুজ রঙের ডাবগুলিতে জলের পরিমাণ বেশি থাকে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ডাবের জলে কোনো ফ্যাট নেই। তাই যারা ওজন নিয়ে সচেতন, তারা কোনো চিন্তা ছাড়াই এই স্বাস্থ্যকর পানীয়টি পান করতে পারেন। ডাবের জল কেবল তৃষ্ণাই মেটায় না, শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সহায়ক। তাই গ্রীষ্মের দাবদাহে ডাবের জল হোক আপনার সঙ্গী!