বাড়তি সোডিয়ামের প্রভাবে হাত-পা ফুলে যাচ্ছে? পটাশিয়াম সমৃদ্ধ সবুজ শাক, বাদাম ও আলুর ভূমিকা!

বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে বাইরে কোথাও বের হলে কিংবা অফিসে সহকর্মীদের সঙ্গে ডিনার করলে নানান ধরণের মুখরোচক ফাস্ট ফুড খাওয়া হয়েই থাকে। বাইরের খাবার মানেই বাড়তি লবণ গ্রহণ, আর বাড়তি লবণ মানেই বাড়তি সোডিয়াম।

সোডিয়ামের বিপদসীমা: একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে প্রতিদিন ৩,০০০ মিলিগ্রাম পরিমাণ সোডিয়াম প্রয়োজন। সেখানে এক পিস হট চিকেনেই ২,৩০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত সোডিয়াম থাকে। সঙ্গে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বার্গার বা পিৎজা খেলে এক বেলায় কতটা বেশি সোডিয়াম গ্রহণ করা হয়, তা সহজেই অনুমেয়। শরীরে বাড়তি সোডিয়াম নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করে।

হুট করে বাইরে খাওয়ার পর শরীর থেকে অতিরিক্ত সোডিয়ামের প্রভাব দূর করতে ৩টি নিয়ম মানা অত্যন্ত জরুরি:

১. প্রচুর জল পান করতে হবে:

  • উপকারিতা: ফাস্ট ফুড খাওয়ার পর পর্যাপ্ত পরিমাণ জল পান করতে হবে, যেন শরীর ও কিডনি থেকে বাড়তি সোডিয়াম সম্পূর্ণরূপে বের হয়ে যেতে পারে

  • সতর্কতা: পর্যাপ্ত জল পান না করলে মুখ, হাত-পায়ে জল এসে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে।

২. ঘাম ঝরাতে হবে (শরীরচর্চা):

  • কার্যকারিতা: ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে অতিরিক্ত লবণ তথা সোডিয়াম বের হয়ে যায়।

  • পদ্ধতি: লোভনীয় খাবার খেয়ে আসার কিছুক্ষণ পরেই ট্রেডমিলে উঠুন বা ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ শুরু করুন। শরীর থেকে ঘাম ঝরানোর মতো কোনো শরীরচর্চা বা কাজ করলে বাড়তি সোডিয়াম বেরিয়ে যাবে।

৩. খেতে হবে কলা (পটাশিয়াম):

  • উপাদান: কলাতে থাকা পটাশিয়াম শরীরের বাড়তি সোডিয়ামের প্রভাবকে নিষ্ক্রিয় করতে সাহায্য করবে।

  • বিকল্প: কলার পাশাপাশি সবুজ শাক, বাদাম অথবা আলু খেলেও উপকার পাওয়া যাবে। এই সকল উপাদান প্রাকৃতিকভাবেই শরীরের সোডিয়ামের মাত্রাকে স্থিতিশীল করতে কাজ করে।