উলটো দিকে হাঁটলে কী হয় জানেন? ১০০ রোগের সমাধান লুকিয়ে এই অভ্যাসে : সমীক্ষা

আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে, পিছনের দিকে দৌড়ালে বেশি ক্যালরি ঝড়ে। ফলে ওজন কমে তড়তড়িয়ে। তাই যারা অতিরিক্ত ওজনের কারণে বেশ চিন্তায় রয়েছেন, তারা এই নতুন পদ্ধতির সাহায্য নিয়ে দেখতে পারেন। উপকার যে পাবেন, তা হলফ করে বলতে পারি।
৩. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: পেছন দিকে দৌড়ানোর সময় বেশি মাত্রায় কসরত করতে হয়। ফলে একদিকে যেমন শরীররে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, তেমনি অন্যদিকে বেশি মাত্রায় রক্ত পাম্প করতে করতে হার্টের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে।
৪. মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: নিউরোলজিস্টরা লক্ষ করে দেখেছেন, রোজ একই ভাবে করতে থাকা কোনও কাজ যদি হঠাৎ করে অন্যভাবে করতে শুরু করা হয়, তাহলে মস্তিষ্কের মধ্য়ে ইলেকট্রিকাল পালসের আদান-প্রদান বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে মনোযোগ এবং স্মৃতিশক্তিরও উন্নতি ঘটে। তাই তো স্বাভাবিকভাবে দৌড়াতে দৌড়াতে যদি হঠাৎ করে পেছনের দিকে কেউ দৌড়ানো শুরু করেন, তাদের শরীরের তো বটেই, সেই সঙ্গে মস্তিষ্কেরও কর্মক্ষমতা চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পায়।
৫. পেশির গঠনে উন্নতি ঘটে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে পেছনের দিকে দৌড়ানোর সময় ঘাড় থেকে শুরু করে পা পর্যন্ত শরীরে প্রতি পেশীকে বেশি বেশি করে কাজ করতে হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রতিটি পেশীর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পতে শুরু করে। সেই সঙ্গে শরীরের সচলতারও উন্নতি ঘটে।
৬. চোট আঘাতেও দৌড়াতে পারবেন: হাঁটুতে বা কোমরে ব্যথার কারণে আর দৌড় বন্ধ করার প্রয়োজন পরবে না, যদি পিছনের দিকে দৌড়ানোর অভ্যাস করে নেন তো। আসলে সামনের দিকে দৌড়ানোর সময় হাঁটু, গোড়ালি এবংহ্যামস্ট্রিং-এর উপর মারাত্মক চাপ পরে। ফলে চোট আঘাতে দৌড়ানো সম্ভব হয় না। কিন্তু পেছনের দিকে দৌড়ালে একেবারে উল্টো ঘটনা ঘটে, এক্ষেত্রে চোট আঘাতের উপর চাপ তো পরেই না, বরং তাড়তাড়ি চোট সেরে যায়। সেই সঙ্গে হাঁটু এবং গোড়ালির সচলতা বৃদ্ধি পায়। ফলে সার্বিকভাবে শরীরের নিচের অংশের ক্ষমতা কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।