অর্শ্ব না কোলন ক্যান্সার বুঝবেন যেসব পদ্ধতিতে, দেখেনিন

প্রাণঘাতী রোগ ক্যান্সার। যা ইতোমধ্যেই কেড়ে নিয়েছে অনেকের প্রাণ। সারাবিশ্বে প্রতি বছর অনেক মানুষ এই রোগে প্রাণ হারায়। ক্যান্সারের রয়েছে বিভিন্ন প্রকারভেদ। অর্শ্ব ও কোলন ক্যান্সার তার মধ্যে অন্যতম।

যদিও একেক রকম ক্যান্সারের লক্ষণ একেকভাবে প্রকাশ পায়। তবে অর্শ্ব ও কোলন ক্যাক্যান্সারের বেশ কিছু উপসর্গ মিলে যায়। যেমন মলদ্বারে প্রদাহ, মলত্যাগের সময় তীব্র যন্ত্রণা কিংবা রক্তপাতের মত সমস্যা থাকলে তা অর্শ্ব না কোলন ক্যান্সার, তা সাধারণ মানুষের পক্ষে বুঝে ওঠা কঠিন।

তবে কিছু কিছু উপসর্গ রয়েছে যা কিছুটা হলেও আলাদা। দিনে কতবার মল ত্যাগের প্রয়োজন অনুভূত হয় তার তারতম্য ঘটা, আচমকা বমি বমি ভাব, গা ঘুলিয়ে ওঠা, ওজন কমে যাওয়া, সরু ফিতার মত মল নির্গত হওয়া ইত্যাদি উপসর্গগুলো কোলন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে দেখা গেলেও সাধারণত অর্শ্ব রোগীদের ক্ষেত্রে দেখা যায় না।

আবার মলদ্বারের রক্তপাতের মধ্যেও রয়েছে তারতম্য, অর্শ্ব রোগীদের ক্ষেত্রে যে রক্তপাত হয় তা সাধারণত লাল। অপর দিকে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এই রক্ত কালচে রঙের হয়। কালচে রঙ দেহের অভ্যন্তর থেকে নির্গত রক্তের সূচক।

পেট ব্যথাও কোলন ক্যান্সারের অন্যতম মুখ্য একটি উপসর্গ যা সাধারণত অর্শ্বের ক্ষেত্রে দেখা যায় না। কোলন ক্যান্সারে যেহেতু অন্ত্র থেকে রক্তপাত হয় তাই, এটি রক্তাল্পতা তৈরি করে। রক্তাল্পতা ডেকে আনে ক্লান্তি। অর্শ্ব রোগীদের ক্ষেত্রে এই উপসর্গটিও খুব বেশি দেখা যায় না।

তবে মনে রাখা দরকার এই ধরনের সমস্যা বিপদের নামান্তর। তাছাড়া সাধারণ মানুষের পক্ষে কোনটি কী তা বুঝে ওঠায় অত্যন্ত কঠিন। কাজেই এই ধরনের কোনো উপসর্গ অবহেলা করা অনুচিত। এই ধরনের যেকোনো উপসর্গ দেখা গেলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াই বিচক্ষণতার পরিচয়।