শিশুর ভবিষ্যৎ সাফল্যের চাবিকাঠি কি কেবল পাঠ্যবইয়ের পাতায়? না! হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ ৮৫ বছরের গবেষণায় উঠে এসেছে এক চমকপ্রদ তথ্য। গবেষকদের মতে, ছোটবেলা থেকে যারা ঘরের কাজে মা-বাবাকে সহায়তা করে, তারাই বড় হয়ে কর্মজীবনে বেশি সফল, দায়িত্বশীল এবং সুখী হয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, সন্তানকে শুধু পড়াশোনায় নয়, বরং ছোটখাটো গৃহস্থালি কাজে অভ্যস্ত করালে তাদের মধ্যে পেশাদারিত্ব এবং পরিশ্রমের মানসিকতা তৈরি হয়। নিজের খেলনা গোছানো, পড়ার টেবিল পরিষ্কার রাখা বা গাছে পানি দেওয়ার মতো সহজ কাজগুলো শিশুর আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এতে তারা শেখে যে, যেকোনো কাজের সুফল পেতে পরিশ্রম ও নিয়মানুবর্তিতা অপরিহার্য। এছাড়া, অন্যের শ্রমের প্রতি শ্রদ্ধা এবং টিমওয়ার্কের গুণটিও তারা ছোট থেকেই রপ্ত করতে পারে।
অভিভাবকদের জন্য পরামর্শ হলো, শিশুকে চাপ না দিয়ে উৎসাহ দিন। ঘুম থেকে উঠে বিছানা গোছানো বা নিজের ব্যবহারের জিনিস গুছিয়ে রাখার মতো ছোট কাজগুলোই তাদের স্বাবলম্বী করে তোলে। তবে মনে রাখতে হবে, শিশুরা অনুকরণপ্রিয়। তাই বাবা-মায়েরাও যদি নিজেদের কাজ গুছিয়ে করেন, তবে তা দেখে শিশু দ্রুত শিখবে। অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম কমাতে এবং শিশুর দায়িত্ববোধ বাড়াতে আজকের এই অভ্যাসই ভবিষ্যতের সাফল্যের মূল ভিত্তি হতে পারে।





