ভারতীয় জনতা পার্টি এবং আরএসএস-এর শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে দীর্ঘ চার ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর বাসভবনে আয়োজিত এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীন এবং সংঘের প্রবীণ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি আগামীর বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ সফরের পরেই বিজেপির নতুন জাতীয় টিম ও সাংগঠনিক কাঠামো ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।
সূত্রের খবর, নতুন টিমে ১১ জন জাতীয় সহ-সভাপতি এবং ৬ জন জাতীয় সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ করা হতে পারে। এবারের রদবদলে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে জাতিগত ও সামাজিক ভারসাম্যের ওপর। পাশাপাশি, নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি এবং তরুণ ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় সাধনের ওপর জোর দিচ্ছে পার্টি নেতৃত্ব। উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট এবং উত্তরাখণ্ডের মতো আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনমুখী রাজ্যগুলির নেতাদের সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হতে পারে।
দলীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, সংগঠন ও সরকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে বেশ কিছু বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। বিনোদ তাওয়াড়ে এবং তরুণ চুঘের মতো পোড় খাওয়া নেতাদের সাংগঠনিক কাজে রাখা হবে, নাকি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আনা হবে—তা নিয়েও চলছে জল্পনা। এছাড়া রাধামোহন দাস আগরওয়াল এবং রভনীত সিং বিট্টুর মতো নেতাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। দীর্ঘ ছয় বছর পর এমন ব্যাপক রদবদল আসন্ন নির্বাচনের জন্য বিজেপির রণকৌশলকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।





