নখে দীর্ঘ সময় নেইলপলিশ থাকলে এর কেরটিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নেইলপলিশ ওঠানোর জন্য যে রিমুভার ব্যবহার করা হয়, তাতে অ্যাসিটোন নামের একটি রাসায়নিক পদার্থ থাকে। এটি নখের উপরিভাগের আবরণ ক্ষয় করে নখ দুর্বল করে ফেলে। এ ছাড়া আরও যেসব কারণে নখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়–
- ওয়ার্ট নামক চর্মরোগ হলে নখ ও নখের আশপাশে ছোট ছোট গোটা ওঠে। নখের কিউটিকল ফুলে যায় এবং নখটি দেবে যায়।
- কোনো সেলুনে নখের পরিচর্যার জন্য গেলে ব্যবহৃত যন্ত্র অথবা দ্রব্যগুলো ঠিকমতো জীবাণুমুক্ত করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে অবশ্যই খেয়াল রাখুন। সম্ভব হলে নিজের ব্যবহারের জন্য আলাদা জিনিসপত্র নিয়ে যেতে পারেন।
- কোনো কারণ ছাড়াই নখ ভেঙে গেলে সেটি বায়োটিনের অভাব থেকে হতে পারে। এ ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
যা করবেন না
- নখের দুই পাশের কোনার অংশ কাটা যাবে না। নখ কাটার সময় শুধু নখের মাথা বা সামনের বাড়তি অংশ কাটতে হবে। নখ
বেশি কেটে ফেললে নখকুনি হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। - ধারালো কিছু দিয়ে নখের নিচের ময়লা পরিষ্কার করা যাবে না।
- নখে ব্যথা কিংবা চাপ লাগে এমন জুতা পরা যাবে না।
- হাঁটা বা ব্যায়ামের সময় আরামদায়ক জুতা পরুন।
- দাঁত দিয়ে নখ ও নখের আশপাশের চামড়া কামড়ানো যাবে না।
- খালি পায়ে রাস্তায়, টয়লেটে, গোসলখানায় হাঁটা যাবে না।





