অনেকেই মনে করেন চিতল মাছের কোফতা বানানো বেশ সময়সাপেক্ষ এবং কঠিন কাজ। তবে পুরনো দিনের মা-ঠাকুমারা কিন্তু খুব সহজেই এই পদ তৈরি করতেন। এমন কিছু কৌশল রয়েছে, যা অনুসরণ করলে খুব অল্প সময়েই সুস্বাদু চিতল মাছের কোফতা তৈরি করা সম্ভব। রইল সেই ঐতিহ্যবাহী রেসিপি:
কোফতা তৈরির জন্য যা যা লাগবে:
চিতল মাছের পিঠের অংশ: ৫০০ গ্রাম
রসুনবাটা: ১ চা চামচ
আদাবাটা: ২ চা চামচ
লঙ্কাবাটা: ১/২ চা চামচ
নুন: পরিমাণমতো
কর্নফ্লাওয়ার: ২ টেবিল চামচ
তেল: ১ টেবিল চামচ
লেবুর রস: ১ টেবিল চামচ
কোফতা তৈরির পদ্ধতি:
১. প্রথমে মাছের পিঠের অংশ থেকে কাঁটা ও চামড়া ভালো করে বেছে নিন। মাছের মাংস মিহি করে থেঁতো করে নিন।
২. থেঁতো করা মাছের সাথে রসুনবাটা, আদাবাটা, লঙ্কাবাটা, পরিমাণমতো নুন, কর্নফ্লাওয়ার, তেল এবং লেবুর রস মিশিয়ে ভালো করে মাখুন।
3. মাখানো মাছের মিশ্রণ ইঞ্চিখানেক পুরু করে রুটির মতো বেলে নিন।
4. একটি পাত্রে জল ফুটিয়ে মাছের বেলা অংশটি সাবধানে ছেড়ে দিন এবং ৮-১০ মিনিট সেদ্ধ করুন।
5. সেদ্ধ হয়ে গেলে জল থেকে তুলে ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হলে ছোট ছোট বরফির আকারে কেটে নিন।
গ্রেভি তৈরির জন্য যা যা লাগবে:
ঘন নারকেলের দুধ: ২ কাপ
আদাবাটা: ১ চা চামচ
রসুনবাটা: ১/২ চা চামচ
জিরেবাটা: ১ চা চামচ
পেঁয়াজবাটা: ২ টেবিল চামচ
গোলমরিচ গুঁড়ো: ১/২ চা চামচ
বেরেস্তা: ২ কাপ
শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো: ১ চা চামচ
তেল: ২ চামচ
গরম মশলার গুঁড়ো: ১ চা চামচ
নুন: পরিমাণমতো
চিনি: ১/২ চা চামচ
গ্রেভি তৈরির পদ্ধতি:
১. একটি কড়াইতে তেল গরম করে সমস্ত বাটা মশলা (আদা, রসুন, জিরে, পেঁয়াজ) দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন।
২. মশলা কষানো হয়ে গেলে ঘন নারকেলের দুধ যোগ করুন এবং ফুটতে দিন।
৩. দুধ ফুটে উঠলে বরফির আকারে কেটে রাখা মাছ এবং পরিমাণমতো নুন যোগ করুন।
৪. তেল উপরে ভেসে উঠলে বেরেস্তা, গোলমরিচ গুঁড়ো, চিনি এবং গরম মশলার গুঁড়ো দিয়ে কিছুক্ষণ অল্প আঁচে রেখে নামিয়ে নিন।
এই চিতল মাছের কোফতা বরফির আকারে না কেটে ছোট ছোট বলের আকারেও রান্না করা যেতে পারে। গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন এই সুস্বাদু পদ।