পরিবার এবং কর্মজীবনের চাপে পুরুষরা প্রায়ই নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি অবহেলা করেন। ছোটখাটো ব্যথা বা অস্বস্তিকে গুরুত্ব না দিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়াই অনেকের মজ্জাগত অভ্যাস। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, শরীরের পাঠানো এই ছোট ছোট সংকেতগুলোই হতে পারে কোনো বড় মারণ রোগের আগাম বার্তা। সময়মতো সতর্ক না হলে যা বয়ে আনতে পারে ভয়াবহ পরিণতি।
পুরুষের যে লক্ষণগুলো একেবারেই এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়:
১. প্রস্রাবের অভ্যাসে পরিবর্তন
বারবার প্রস্রাবের বেগ পাওয়া, প্রস্রাব করতে কষ্ট হওয়া কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তপাত— এই লক্ষণগুলো প্রোস্টেট ক্যান্সার বা প্রোস্টেট বড় হয়ে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে। অনেক পুরুষই একে সাধারণ সংক্রমণ ভেবে ভুল করেন, যা পরে জটিল আকার ধারণ করে।
২. বুক ধড়ফড় বা সামান্য পরিশ্রমে হাঁপিয়ে ওঠা
হৃদ্রোগের ঝুঁকি নারীদের তুলনায় পুরুষদের অনেক বেশি। সামান্য পরিশ্রম করলে যদি বুক ধড়ফড় করে বা শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তবে তা হার্টের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। একে কেবল ‘গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা’ বলে এড়িয়ে যাওয়া জীবনঘাতী হতে পারে।
৩. দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি ও বিষণ্ণতা
পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও যদি সারাদিন অসম্ভব ক্লান্তি লাগে, তবে তা শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা থাইরয়েডের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। পাশাপাশি পুরুষের মানসিক অবসাদকেও গুরুত্ব দেওয়া জরুরি, কারণ এটি শারীরিক অসুস্থতারও কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
৪. ত্বকের তিল বা আঁচিলের রং পরিবর্তন
শরীরে কোনো তিল বা আঁচিলের আকার হঠাৎ বদলে যাওয়া কিংবা রং পরিবর্তন হওয়া স্কিন ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। বিশেষ করে যারা রোদে বেশি কাজ করেন, তাদের এই বিষয়ে অতিরিক্ত সচেতন থাকা প্রয়োজন।
৫. যৌনক্ষমতা বা ইচ্ছার অভাব
এটি কেবল একটি ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, বরং এটি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিসের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা থাকলে শরীরের এই বিশেষ অঙ্গে তার প্রভাব সবার আগে পড়ে।





