নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩-এর হাত ধরে বাঙালির ঘরে ঘরে আজ উৎসবের আমেজ। হালখাতা আর নতুন ক্যালেন্ডারের গন্ধে যখন শহর ম ম করছে, তখন শৈশব আর বর্তমানের নস্টালজিয়ায় ভাসছেন ‘ক্যাকটাস’ ব্যান্ডের জনপ্রিয় গায়ক সিদ্ধার্থ রায় ওরফে সিধু। আজকাল ডট ইন-এর সঙ্গে একান্ত আড্ডায় তিনি জানালেন তাঁর নববর্ষের বিবর্তনের গল্প।
সিধুর কাছে ছোটবেলার পয়লা বৈশাখ মানেই ছিল মায়ের হাত ধরে আসা দোকানের হালখাতার সেই মিষ্টির প্যাকেট। তাঁর কথায়, “বাড়িতে সচরাচর আসে না এমন গজা বা দরবেশের প্যাকেটের জন্য যে উত্তেজনা ছিল, তা আজও মনে পড়ে।” বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই উন্মাদনা বদলেছে স্টেজ শো আর টিভির শ্যুটিংয়ে। তবে বাঙালিয়ানার সঙ্গে আপস করেননি তিনি। ব্যান্ড মেম্বারদের নিয়ে পাঞ্জাবি পরে শো করা বা গানের তালিকায় বিশেষ বাঙালিয়ানা রাখা— সিধুর নববর্ষের সিগনেচার স্টাইল। লকডাউনের সময়ে ঘরোয়া আলোয় ফোনের ক্যামেরায় রেকর্ড করে বিদেশের শো করার সেই দমবন্ধ করা দিনের অদ্ভুত স্মৃতির কথাও শেয়ার করেন তিনি।
এবারের নববর্ষে সিধু পুরোপুরি ‘পেটুক’ অবতারে। দুপুরে বাড়ির মেনুতে থাকছে মটন চম্পারন, পাবদা মাছ আর বেগুনি। রাতেও থাকছে বিশেষ আয়োজন, যেখানে আকর্ষণের কেন্দ্রে রয়েছে গন্ধরাজ চিকেন। সব মিলিয়ে গান আর রসনা তৃপ্তিতেই ১৪৩৩-কে বরণ করে নিচ্ছেন টলিউডের এই প্রিয় গায়ক।





